চলো যাইঃ তুরি তুমুং তিড়িং - তাপস মৌলিক




কলেজের পাট শেষ করে তখন বছরখানেক হয় চাকরিতে ঢুকেছি। আমি কলকাতায়, আর আমার বন্ধু শঙ্কর জামশেদপুরে। দুজনের মাথাতেই চাপল রক ক্লাইম্বিং-এর নেশা। রক ক্লাইম্বিং ট্রেনিং কোর্স করলাম দুই বন্ধু। এরপর নিয়মিত প্র্যাকটিস দরকার, কারণ দুজনেই ঠিক করেছি বেসিক মাউন্টেনিয়ারিং কোর্স করতে যাব। পশ্চিমবঙ্গে রক ক্লাইম্বিং করার বেশ কিছু জায়গা আছে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়, জয়চন্ডী পাহাড়, বাঁকুড়ার শুশুনিয়া। উইক এন্ডে গিয়ে দিব্যি প্র্যাকটিস করা যায়। কিন্তু খালি হাতে তো রক ক্লাইম্বিং হয় না! ব্যাপারটা বিপজ্জনক। তাই নিরাপত্তার জন্য দড়িদড়া, ক্যারাবিনার, হারনেস ইত্যাদি সাজসরঞ্জাম লাগে। সেসব পাই কোথায়! অত সাজসরঞ্জাম কেনার পয়সা তখন আমাদের নেই। কলকাতার কিছু সংস্থা এসব ভাড়া দেয়। তা ভাড়া নিতেও তো পয়সা লাগবে! তখন শঙ্কর একদিন ফোন করে বলল, শনি-রবি সোজা চলে আয় জামশেদপুর, ব্যবস্থা হয়েছে, চুটিয়ে রক ক্লাইম্বিং করা যাবে।
শঙ্কর তখন চাকরি করত টেলকো-তে (এখন যার নাম টাটা মোটরস), থাকত কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ারস হোস্টেলে। তার কথামতো এক শুক্রবার রাত্রে গেলাম জামশেদপুর। হোস্টেলে পৌঁছে দেখি সত্যিই সে দুজনের জন্য দড়িদড়া, ক্যারাবিনার ইত্যাদি যাবতীয় সাজসরঞ্জাম জোগাড় করে রেখেছে। জিগ্যেস করলাম, এসব পেলি কোথায়?
শঙ্কর বলল, টেলকোর নিজেদের একটা মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাব আছে। সেখান থেকে ম্যানেজ করেছি।
বেশ, বেশ! কিন্তু রক ক্লাইম্বিং করব কোথায়? দলমা পাহাড়ে?
উঁহু! চল না, কাল সকালে দেখতেই পাবি।
পরদিন ভোরবেলা টাটানগর স্টেশনের কাছে হাজির হলাম দুজন। সেখান থেকে অনেক বাস ছাড়ে। তার মধ্যে একটা ছোটো বাসের কন্ডাকটর বাইরে দাঁড়িয়ে তিড়িং তিড়িং করে চিলচিৎকার করে চলেছে। শুনেই আমরা তিড়িং করে বাসটার ছাদে চড়ে বসলাম।
বাস ছাড়ল। আমরাও ছাদে রাখা কিছু পোঁটলাপুঁটলিতে হেলান দিয়ে বেশ জম্পেশ করে বসলাম। শহর ছাড়াতেই পথের দুপাশে শুরু হল বিহারের রুক্ষ্ম মাঠ (তখন জায়গাটা বিহার ছিল, এখন ঝাড়খন্ড হয়েছে)। ধু ধু ন্যাড়া মাঠের মধ্যে এদিক ওদিক ছড়ানো বোল্ডারের স্তূপ, মাঝে মাঝে ছোটো ছোটো টিলা-পাহাড়। ছাদ থেকে দেখতে বেশ লাগছিল। শহুরে চোখে খোলামেলা যা দেখি তাই ভালো লাগে। মনে খুব ফুর্তি হল। গলা ছেড়ে গান ধরলাম দুজন
বিহার আমার, মাসীমা আমার, ধাইমা আমার, আমার দেশ
কাঁহেকো মা তোর অ্যায়সা হালত, কাঁহেকো মা তোর অ্যায়সা বেশ।
মিনিট চল্লিশ পরে ডানদিকে বেশ উঁচু উঁচু কতগুলো পাথুরে টিলা পড়ল। শঙ্কর বলল, চল চল, এসে গেছে, নামতে হবে।
জায়গাটার নাম তুরি। ডাইনে মাইলখানেক দূরে যেখানে টিলাগুলো দেখা যাচ্ছে সে জায়গার নাম নাকি তুমুং। দড়িদড়া ভর্তি ছোটো ন্যাপস্যাক পিঠে তুলে হাঁটা লাগালাম সেদিকে। পৌঁছে দেখি, বাহ্‌, বেশ ভালো ভালো সব রক! ক্লাইম্বিং প্র্যাকটিসের জন্য আদর্শ। সহজ, মাঝারি, শক্ত, খুব শক্ত সবরকম রকই আছে, তোমার দক্ষতা অনুযায়ী বেছে নাও তুমি।
তুমুং-এ রক ক্লাইম্বিং করার জন্য যে প্রায়ই লোকজন আসে তার চিহ্ন চারদিকে পরিষ্কার। শঙ্কর বলল, এখানে নিয়মিত বিহার অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের রক ক্লাইম্বিং কোর্স হয়, টেলকোর মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাবের সদস্যরাও প্রায়ই প্র্যাকটিস করতে আসে। নিচে রইল তুমুং-এর কিছু ছবি।


তুমুং একটি ন্যাচারাল রক ক্লাইম্বিং স্পট। বাছুরগুলো অবশ্য রক ক্লাইম্বিং করতে আসেনি, স্রেফ চরতে এসেছে! ছাগলেরা খুব ভালো রক ক্লাইম্বার হয়, বেশ কঠিন কঠিন পাথুরে রুটে তরতর করে উঠে যায়, কিন্তু বাছুরদের মধ্যে সে গুণ দেখিনি।


কচ্ছপের পিঠের মতো এই রকটা ক্লাইম্বারদের খুব পছন্দ সেটা বোঝা যায়, প্রচুর জুতো-ঘষটানির দাগ রকফেসে। নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য আদর্শ রক। বিহার অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের কোর্স যে এখানে হয় সেটা ডানদিকের ছবিতে প্রমাণ।


চিমনি ক্লাইম্বিং-এর জন্য দুর্দান্ত কিছু রক আছে তুমুং-এ। দুটো পাথরের মধ্যবর্তী সরু ফাটল ধরে দুই হাত-পা দিয়ে দুদিকের দেওয়ালে জ্যাম করে করে ওঠার নাম চিমনি ক্লাইম্বিং, খুব মজার জিনিস।


দেরি না করে সাজসরঞ্জাম বার করে প্র্যাকটিস শুরু করে দিলাম। প্রথমে কিছু ফ্রি হ্যান্ড ক্লাইম্ব। তারপর খাড়া দেওয়াল বেছে একটু শক্ত রুট। চিমনি ক্লাইম্বিং-এর জন্য দারুণ দুটো রক পাওয়া গেল, উঠলাম চিমনি বেয়ে। সবশেষে খাড়া রকফেস বেয়ে দড়ির সাহায্যে র‍্যাপেল করে নামা। ঘন্টাচারেক গা ঘামিয়ে প্রচণ্ড খিদে পেল। পাউরুটি, মাখন, কলা আর ডিমসেদ্ধ সঙ্গে নিয়ে গেছিলাম, সেগুলোর সদ্গতি করা গেল। কিন্তু জল শেষ। দুজনের জলের বোতলই খালি। সবে মার্চ মাস, কিন্তু রোদের তাতে চাঁদি ফেটে যাচ্ছে। জলের আশায় হাঁটা লাগালাম গ্রামের দিকে।
শান্ত ছিমছাম তুমুং গ্রামের খড়ে ছাওয়া মাটির বাড়িগুলোর দেওয়াল সুন্দর রঙ করা, উঠোন তকতকে করে নিকোনো। গ্রামের বাসিন্দারা সবাই সাঁওতাল, আর কী আশ্চর্য, তারা সবাই বাংলাই বলে! এক বাড়িতে ঢুকে খাবার জল চাওয়ায় বাইরে গাছতলায় খাটিয়া পেতে বসতে দিল, ঝকঝকে পরিষ্কার পেতলের ঘটিতে এল ঠান্ডা জল। ঢকঢক করে পেটপুরে জল খেয়ে ফেরার রাস্তা ধরলাম।


রকের গায়ে এরকম ছোটো ছোটো খাঁজগুলোকে বলে পিঞ্চ হোল্ড (বাঁদিকের ছবি), আঙুলের ডগা দিয়ে আঁকড়ে ধরে উঠতে হয়। ডানদিকের ছবিটা রক ক্লাইম্বারদের কাছে উদ্বেগ ও আশঙ্কার। কল বসিয়ে বোল্ডার ভেঙে ভেঙে চালান করছে ব্যবসায়ীর দল, রাস্তা তৈরির জন্য পাথরের টুকরো সাপ্লাই করে তারা। তুমুং-এর টিলাগুলো কতদিন আস্ত থাকে, এখনও আছে কি না, কে জানে!


তুমুং গ্রাম চারদিকের রুক্ষ্ম প্রকৃতির মাঝে যেন এক মরুদ্যান। ডানদিকে গ্রামের একটি বাড়ি, ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হয়ে যেখানে আমরা দুজন জল খেতে গিয়েছিলাম। কত সহজ আন্তরিক গ্রামের বাসিন্দাদের ব্যবহার!


বিকেলে টেলকোর হোস্টেলে ফিরে শঙ্করকে বললাম, রক ক্লাইম্বিং তো হল! জায়গাটা ভালো, কিন্তু বড্ড ন্যাড়া, শুকনো। পাহাড়, জঙ্গল আর ঝরনা না থাকলে কি বেড়ানোর মেজাজ আসে?
শঙ্কর বলল, চল, কাল ভোরে টালাবুরু যাব। সেখানে পাহাড়, জঙ্গল, ঝরনা তিনটেই আছে, উপরি দুচারটে হাতিও দেখা দিতে পারে। টাটানগর থেকে খড়গপুর-গুয়া লাইনের ট্রেনে দেড় ঘন্টা লাগে। সারাদিনে একটাই ট্রেন, ভোরবেলায়।
শঙ্কর বলেছিল ট্রেন সকাল আটটা কুড়িতে। সেইমতো পরদিন আটটা সতেরোয় স্টেশনে পৌঁছে দেখি ট্রেনটা আমাদের টাটা করতে করতে টাটানগর ছেড়ে যাচ্ছে। সঠিক টাইম নাকি আটটা পনেরো ছিল! অর্থাৎ টালাবুরু আজ ফসকে গেল। ব্যাজার মুখে স্টেশন চত্বরের বাইরে বেরিয়ে দেখি গতকালের মতো আজও এক মিনিবাসের কন্ডাকটর বাসের সামনে দাঁড়িয়ে তিড়িং তিড়িং করে চ্যাঁচাচ্ছে। শঙ্করকে বললাম, তিড়িং জায়গাটা কোথায়? কাল তো মাঝপথে নেমে পড়লাম, পুরো রাস্তা গিয়ে দেখলে হয় পথে আর কোনও ক্লাইম্বিং সাইট চোখে পড়ে কি না।
জানালার ধারে বসা এক বুড়োদাদুকে জিগ্যেস করে জানা গেল তিড়িং বিহার আর উড়িষ্যার বর্ডারে, যেতে দেড়ঘন্টা লাগবে। আর সেখানে নাকি পাহাড়, জঙ্গল, ঝরনা তিনটেই আছে। শুনেই কালকের মতো তিড়িং করে বাসের ছাদে উঠে পড়লাম।
তুরি-তুমুং ছাড়িয়ে ঘন্টাদেড়েক পর একজায়গায় পৌঁছে বাস থেমে গেল। দেখি লম্বা একটা বাঁশ দিয়ে রাস্তা বন্ধ। এটা নাকি বর্ডার, এপার অবধি বিহারের বাস যায়, ওপার থেকে উড়িষ্যার বাস। ছাদ থেকে নেমে শুনি এ জায়গাটাই তিড়িং। দিব্যি শান্তশিষ্ট সুন্দর জায়গা, চারদিক সবুজে সবুজ। জঙ্গলাকীর্ণ পাহাড়ের সবুজ ঘাসের ঢাল নেমে এসেছে রাস্তা অবধি। সেই ঢালে পি.ডব্লিউ.ডি.-র সুন্দর এক ইন্সপেকশন বাংলো। ঝরনা না থাকলেও পাহাড়ের ঢাল বেয়ে কুলকুল করে নেমে এসেছে ছোট্ট একটা নদী। পরে এখানে এসে দুদিন থাকতে হবে! তবে বাংলোয় নয়, ওই নদীটার পাশে ঘাসের ঢালে তাঁবু ফেলে, কোনও এক চাঁদনি রাতে।
রাস্তার পাশে এক দোকানে চা খেয়ে এদিক সেদিক একটু ঘোরাঘুরির পর তিড়িং-এর একজন বলল, এখানে আর পাহাড়-জঙ্গল কী দেখছেন, উড়িষ্যার বাস ধরে রাইরংপুর চলে যান, ঢের ঢের ভালো জায়গা।


জামশেদপুর থেকে রাইরংপুর, গুগুল ম্যাপ থেকে
সুতরাং বর্ডার পেরিয়ে উড়িষ্যায় ঢুকে রাইরংপুরের বাসের ছাদে উঠলাম। ফিতের মতো উঁচুনিচু রাস্তা ধরে ফের চলল বাস। পাক্কা একঘন্টা পর রাইরংপুর নেমে দেখি সেখানে পাহাড়, জঙ্গল, ঝরনা কোনওটাই নেই, ময়ূরভঞ্জ জেলার দিব্যি এক মহকুমা শহর। অগত্যা একটা রাস্তা ধরে সোজা গ্রামের দিকে হাঁটা দিলাম। খানিক হেঁটে একটা নদী পাওয়া গেল। দুধারে বালির চর, জল অল্পই, আয়না-স্বচ্ছ। রাস্তা ছেড়ে নদীর ধার ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। নদী বেশি চওড়া নয়, গভীরও নয়। বেশিরভাগ জায়গায় হাঁটু কি কোমর সমান জল। তবে মাঝে মাঝে বোল্ডারে বাধা পেয়ে চওড়া হয়ে গোলমতো একেকটা পুকুর তৈরি করেছে নদীটা, সেসব জায়গায় জল বেশ গভীর, তারপর ফের যে কে সেই। আমরা হাঁটছিলাম স্রোতের উলটোদিকে। বেশ খানিক হেঁটে নদীর ওপর উঁচু এক রেলব্রিজ পড়ল। ব্রিজের ওপর উঠে এক টিনের সাইনবোর্ডে অবশেষে নদীটার নাম পাওয়া গেল খড়কাই। ওহো, খড়কাই! এ তো চেনা নদী! জামশেদপুরে এই খড়কাইই তো সুবর্ণরেখায় মিশেছে।
রেললাইনটা শুনলাম জামশেদপুর থেকে বাদামপাহাড় গেছে। দূর দক্ষিণ দিগন্তে দেখা যাচ্ছে ধোঁয়াটে বাদামপাহাড় রেঞ্জ। রেলব্রিজের ওপারে ল্যান্ডস্কেপ সম্পূর্ণ আলাদা। নদীর ধারে গ্রাম নেই বিশেষ। চারদিক ফাঁকা, ছোটোখাটো কিছু টিলা, বড়ো বড়ো বোল্ডার ছড়িয়ে রয়েছে ইতস্তত।
ব্রিজ থেকে আধঘন্টা হেঁটে একটা দুর্দান্ত স্পটে পৌঁছে হাঁটা থামালাম আমরা। নদীটা এখানে জিলিপির মতো প্যাঁচ দিয়েছে একটা। চারদিকে অসংখ্য বড়ো বড়ো বোল্ডার। একটা দশ ফিট চওড়া উপনদী এসে মিশেছে খড়কাইতে। খড়কাই বেশ চওড়া হয়ে তৈরি করেছে তিনটে ন্যাচারাল সুইমিং পুল প্রতিটা প্রায় তিরিশ মিটার লম্বা, পঁচিশ মিটার চওড়া। জল এত নীল, এত পরিষ্কার যে পাঁচ-ছফিট নিচেও ঝকঝকে হলুদ বালির প্রবাহ দেখা যাচ্ছে।
বোল্ডারগুলোর মধ্যে একটা খাসা গুহা আবিষ্কার করা গেল। মুখটা বেশ চওড়া, ভেতরে ক্রমশ সরু হয়ে নিচে নেমে গেছে, একেবারে নিচে জল দেখা যাচ্ছে। গুহার ঠান্ডা ছায়ায় বেশ মৌজ করে বসলাম দুজন। বালিতে খানিক গড়াগড়ি দিয়ে স্নান করতে নদীতে নামা হল। চুটিয়ে সাঁতার কাটলাম অনেকক্ষণ। নদী প্রায় এগারো-বারো ফিট গভীর এখানে, শঙ্কর ডুব দিয়ে দেখল। ঘন্টাখানেক পর জল থেকে উঠে গুহায় বসে লাঞ্চপর্ব সারলাম, ফের সেই পাউরুটি-মাখন-কলা-ডিমসেদ্ধ। তারপর ছায়া দেখে একটা বোল্ডারের ওপর চিৎপাত হয়ে শুয়ে নিশ্চিন্তে ঘুম।
মেঘের ডাকে যখন ঘুম ভাঙল দেখি বেলা পড়ে এসেছে। আকাশ ঘোর কালো মেঘে ছেয়ে গেছে। বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে ঘন ঘন। তাড়াতাড়ি উঠে বাসরাস্তার দিকে রওনা দিলাম। রেলব্রিজ অবধি পৌঁছনোর আগেই হাওয়া ছেড়ে দিল। ধুলোর ঝড় উঠল প্রবল, সঙ্গে বড়ো বড়ো বৃষ্টির ফোঁটা। দৌড় দৌড়... ভিজতে ভিজতে হাঁপাতে হাঁপাতে কোনওরকমে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে গেলাম। জামশেদপুর ফিরলাম সন্ধে সাড়ে সাতটায়। শঙ্করের হোস্টেলে ডিনার সেরে রাতের ট্রেন ধরে পরদিন সকালে হাওড়া এবং সোজা অফিস।
_____


ছবিঃ লেখক

No comments:

Post a Comment