গল্পঃ সময়ের মায়াজালেঃ বিভাবসু দে


সময়ের মায়াজালে

বিভাবসু দে


টেবিলের ওপর ল্যাম্পের হলদে আলোটাও আজ বড়ো ম্লান লাগছে। আলোছায়ায় গুমোট হয়ে থাকা ঘরটায় একা বসে আছে মৃন্ময়। মাথাটা বড্ড ঝিমঝিম করছে ফেরার পর থেকেই। কীভাবে যে ওই তিনটা ঘন্টা কেটে গেল! সব কেমন যেন ওলোটপালট হয়ে গেল। তিনটা ঘন্টা, নিজের নাম ছাড়া আর একটা শব্দও লিখতে পারেনি সে পরীক্ষার খাতায়। আজ উচ্চমাধ্যমিকের শেষ পেপার ছিল। সব শেষ হয়ে গেল! এখনও সব যেন কেমন একটা স্বপ্নের মতো লাগছে মৃন্ময়ের কাছে।
স্পষ্ট চোখের সামনে ভাসছে ক্লাসরুমটা, প্রতিটা বেঞ্চে প্রশ্নপত্রের অপেক্ষায় বসে থাকা মুখগুলো, সামনের ওই  ব্লাকবোর্ডটা। ওই যে ঘন্টা বেজে গেল। খাম খুলে প্রশ্ন দিতে লাগলেন ম্যাডাম। হাতে নিয়ে পুরোটা প্রশ্ন একবার উলটেপালটে দেখল মৃন্ময়। সব কমন। মনটা খুশিতে ভরে গেছিল তার। ‘আজ ফাটিয়ে দেব,’ নিজের মনেই বলে উঠেছিল সে। কিন্তু তারপর কলম তুলতে গিয়েই সব যেন কেমন তালগোল পাকিয়ে যেতে লাগল। কাগজে কলম ঠেকাতে গিয়েও হাত বারবার পিছিয়ে আসছিল মৃন্ময়ের। মাথার ভেতর ভেসে ওঠা চিন্তাগুলোকে যেন নিজেই ঠিক বুঝে উঠে পারছিল না সে। ঠিক যেন কেউ তার চিন্তার ভাষাটাকে বাংলা থেকে বদলে চিনা বা ফরাসি করে দিয়েছে। কপাল বেয়ে ঘাম ঝরতে লাগল। পাঁচ মিনিট পর আবার ঘন্টা বাজল। কিন্তু ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠল মৃন্ময়, একঘন্টা পেরিয়ে গেছে! এ যে অসম্ভব! হাতঘড়ির দিকে তাকাল সে। কিন্তু সেটাতেও একই সময় দেখাচ্ছে। কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না মৃন্ময়। বাকি সবগুলো পরীক্ষা দারুণ হয়েছে, অথচ আজকের এই শেষ পরীক্ষায় কিছুই মাথায় আসছে না। একটু আগেও যে পেপারের সবগুলো প্রশ্ন কমন লাগছিল, এখন তা কিছুই বুঝতে পারছে না সে। তার চেয়েও আজব ব্যাপার, সময় আর ঘড়ির কাঁটা যেন দুই আলাদা বেগে ছুটছে আজ। মৃন্ময়ের মনে হল পনেরো মিনিট পেরিয়েছে, কিন্তু ফাইনাল ঘন্টা বেজে গেল তখনই। ম্যাডাম খাতা নিয়ে নিলেন। সাদা খাতা জমা দিল সে। জীবনে এই প্রথমবার। একটা ঘোরের মতো যেন লাগছিল সবকিছু। বাকিদের মুখ দেখে মনে হচ্ছিল সব স্বাভাবিক। কারওর সাথে আর কোনও কথা বলল না মৃন্ময়। বুক ফেটে যেন কান্না পাচ্ছিল তার।
বাড়ি ফেরার পর মা-বাবাকে কিছুই বলেনি সে। ‘ভালো হয়েছে’ বলে এড়িয়ে গেছে। কিন্তু যেদিন রেজাল্ট বেরোবে, সেদিন? সবাই জানবে, স্কুলের ফার্স্ট বয় উচ্চমাধ্যমিকে ফেল করেছে। ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন হয়তো আর কোনওদিন সত্যি হবে না তার। বুকের ভেতর একটা ভীষণ চিনচিনে ব্যথা হতে লাগল; দু’চোখের পাতা ভিজে এল মৃন্ময়ের।
সেই দুপুর থেকে এমনই আরও হাজারো চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে মৃন্ময়ের মাথায়। কিন্তু তার চেয়েও বড়ো যে প্রশ্ন, কী হয়েছিল তার সাথে ওই তিনঘন্টায়? এখন যে প্রশ্নগুলোর উত্তর সে দু’ঘন্টায় লিখে শেষ করে দিতে পারে তখন পারল না কেন? আর ওই ঘড়ির কাঁটা? উত্তর নেই! কোনও ব্যাখ্যা নেই ওই তিনঘন্টায় ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ঘটনাগুলির। কিছুতেই হিসাব মেলাতে পারছে না মৃন্ময়। হঠাৎ একটা কথা মাথায় আসতেই শিউরে উঠল সে, ‘আমি পাগল হচ্ছি না তো!’
কী করবে কিছুই বুঝতে পারছে না সে। বড়ো একা লাগছে আজ। মা-বাবাকেও বোঝাতে পারবে না কথাগুলো।

মামাতো দিদির বিয়ে, মা-বাবা তাতেই গেছে সন্ধেবেলা। শরীর খারাপের বাহানায় যায়নি মৃন্ময়; সন্ধে থেকে টেবিল-ল্যাম্প জ্বেলে একা বসে আছে ঘরটায়। বারবার শুধু ওই তিনঘন্টা একটা রহস্যময় দুঃস্বপ্নের মতো ভেসে উঠছে তার চোখের সামনে। আর কতগুলো প্রশ্ন যার কোনও উত্তর নেই।
হঠাৎ কে যেন দরজায় নক করল। ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল মৃন্ময়। সুধামাসি হবে হয়তো, খাবার গরম করে দিতে এসেছে। দরজা খুলল সে।
বাইরে এক দীর্ঘদেহী সুপুরুষ ভদ্রলোক। সাহেবি পোশাক পরা, চকচকে পালিশ করা জুতো, মাথায় ব্যাকব্রাশ করা ঘন কালো চুল। টিকালো নাকের নিচে পাতলা গোঁফ আর ঠোঁটের নিচে একচিলতে দাড়ি।
“আপনি মিস্টার মৃন্ময় সেন তো?” শান্ত গলায় আগন্তুকের প্রশ্ন।
“হ্যাঁ, কিন্তু আপনাকে তো ঠিক…”
“নমস্কার। আমার নাম সাগ্নিক দত্ত। আপনি আমাকে চিনবেন না, কিন্তু আমি আপনাকে ভালোভাবেই চিনি।” বলতে বলতে সোজা ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢুকে এল লোকটা। মৃন্ময় কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু তাকে সুযোগ না দিয়েই লোকটা বলতে লাগল, “আপনি ভাবছেন, এভাবে একজন অপরিচিত লোক হয়ে সোজা ফ্ল্যাটের ভেতর ঢুকে এলাম, খুনি বা ডাকাত নই তো! সে বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, আমার কোনও খারাপ উদ্দেশ্য নেই। শুধু আপনার সাথে কিছু কথা আছে।”
“বলুন, কী কথা।”
“আগে দরজা বন্ধ করে এখানে এসে বসুন।”
এবার একটু ভয় হল মৃন্ময়ের। কিন্তু লোকটা যেন তার মন পড়ে ফেলল। বলল, “দরজা বন্ধ করতে বলায় ভয় পেলেন বুঝি? আমায় আপনি বিশ্বাস করতে পারেন, মিস্টার সেন। আমি আপনার আজকের পরীক্ষার ব্যাপারে কিছু বলতে এসেছি।”
পরীক্ষার কথা শুনে বেশ অবাক হল মৃন্ময়। লোকটা কীভাবে জানে আজকের ব্যাপারটা? দরজা বন্ধ করে এসে পাশের সোফায় বসল সে।
“আপনি কী জানেন আজকের পরীক্ষার ব্যাপারে?”
একটুকরো হাসির রেখা ঝলকে উঠল লোকটার ঠোঁটে। মৃন্ময়কে হতবাক করে দিয়ে সে বলল, “সবই জানি। আপনি পরীক্ষায় আজ কিছুই লিখতে পারেননি। আপনার কাছে যা পনেরো মিনিট মনে হচ্ছিল, তার মধ্যেই তিনঘন্টা ফুরিয়ে গেল। যে প্রশ্নের উত্তরগুলো সব আপনার জানা তার একটাও তখন লিখতে পারলেন না। কী, ঠিক বলছি তো?”
মৃন্ময় আমতা আমতা করে বলল, “হ্যাঁ, মানে কিন্তু আপনি এতসব কীভাবে…”
“সময় বড়ো আজব জিনিস, মিস্টার সেন। বুঝতে পারলেন না তো? আপনি আইনস্টাইনের মহাজাগতিক সমীকরণ জানেন?”
“না।”
“স্থান-কালের চতুষ্মাত্রিক তলের বক্রতাই অভিকর্ষের কারণ। টাইম আর স্পেস একে অপরের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। এদের নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলে যে কত কিছু করা যায় তা আপনি ভাবতেও পারবেন না।”
“আপনার কথা আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। কী আবোলতাবোল বকছেন তখন থেকে?” বেশ বিরক্ত হয়েই বলল মৃন্ময়।
একটু হাসল লোকটা। তারপর একটা ঘড়ি বের করে মৃন্ময়ের হাতে দিয়ে বলল, “পরুন এটা।”
“কী এটা? কী হবে এতে?”
“পরুন না আগে। সব বুঝতে পারবেন।”
ঘড়ির বেল্টটা বাঁধতেই কাঁটাগুলো তরতর করে আপনা-আপনি উলটোদিকে ঘুরতে শুরু করল। মৃন্ময়ের চোখের সামনে সব যেন কোথায় হারিয়ে যেতে লাগল। বসার ঘর, সোফা, পেছনের দরজাটা সব উধাও হয়ে গেল। হঠাৎ সে অবাক হয়ে দেখল, সে সকালবেলার সেই পরীক্ষার হলে দাঁড়িয়ে আছে। আর তার পাশে সেই অচেনা লোকটি।
“কী হচ্ছে এসব! আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না।” আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল মৃন্ময়।
পাশে দাঁড়ানো সেই লোকটি তার কাঁধে হাত রেখে বলল, “ভয় পাবেন না, মিস্টার সেন। আমি এখন কিছু কথা বলব যা আপনার কাছে অবিশ্বাস্য লাগবে, কিন্তু তবুও সেগুলো সত্যি। আর তার প্রমাণ এই যা যা ঘটল আপনার চোখের সামনে।”
একটু শান্ত হল মৃন্ময়। লোকটি আবার গম্ভীর গলায় বলতে লাগল, “শুনুন। সব খুলে বলছি আপনাকে। আমি ২২৩৪ সালের লোক, মানে ভবিষ্যতের পৃথিবীবাসী। আমরা গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ ব্যবহার করে দুটো সমান্তরাল ব্রহ্মাণ্ডের মধ্যে টাইম-স্পেস রিলেটেড একটি পরীক্ষা করছিলাম। সেই পরীক্ষায় সাবজেক্ট হিসাবে বেছে নেয়া হয়েছিল আপনাকে। দুটো সমান্তরাল ব্রহ্মাণ্ডের স্থান-কালের ওই চতুষ্মাত্রিক জালটাকে নাড়লে দুই ব্রহ্মাণ্ডের মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে তা দেখার জন্য আমরা আপনার সাথে আপনার সমান্তরাল ব্যক্তির মানে সোজা ভাষায় সমান্তরাল ব্রহ্মাণ্ডে থাকা আরেক মৃন্ময় সেনের ব্রেন ওয়েভ অদলবদল করে দিই, আর তাতেই আপনার চিন্তাশক্তি এবং সময়জ্ঞান সেই ব্রহ্মাণ্ডের হিসেবে কাজ করতে শুরু করে।”
এতক্ষণ অবাক হয়ে শুনছিল মৃন্ময়। আষাঢ়ে গল্পের মতো লাগলেও চোখের সামনে যা ঘটল তারপর পুরোপুরি অবিশ্বাস তো করা যায় না লোকটার কথায়। মৃন্ময় বলল, “আপনার কথা আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না। কিন্তু যদি এসব আসলেই সত্যি হয় তবে আপনাদের ওই পরীক্ষার দয়ায় আমার জীবনের সবচেয়ে বড়ো পরীক্ষাটা যে মাটি হয়ে গেল তার কী হবে?”
হালকা হাসি খেলে গেল লোকটার মুখে। বলল, “তাই তো আমি টাইম-ট্রাভেল করে এসেছি, মিস্টার সেন। না এলেও পারতাম, কারণ আমাদের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় আপনি শুধুই একটি গিনিপিগ। কিন্তু আমি নিজের দায়িত্বেই এসেছি আপনাকে আরেকটা সুযোগ করে দিতে। আমি জানি মিস্টার সেন, ২০১৮-র একজন মানুষের কাছে এসব পরীক্ষার মূল্য কতটা।”
“সুযোগ? কীভাবে? পরীক্ষা তো হয়ে গেছে।”
“না, মিস্টার সেন। এখনও হয়নি। আপনি আর আমি টাইম-ট্রাভেল করে ফিরে এসেছি পরীক্ষার সময়ে। ওই যে খাতা, পাশে প্রশ্নপত্র। বসে পড়ুন। আপনার হাতে তিনঘন্টা রয়েছে।”
সবকিছুই কেমন একটা আজব স্বপ্নের মতো লাগছিল মৃন্ময়ের কাছে। কিন্তু কথা না বাড়িয়ে সে বেঞ্চে গিয়ে বসল। সামনে সকালের সেই পরীক্ষার খাতা আর প্রশ্ন।
“কলম আনতে ভুলে গেছি যে।”
সেই লোকটা নিজের পকেট থেকে একটা কলম বের করে এগিয়ে দিল। বেশ সুন্দর ঝকঝকে কালো রঙের কলমটা। গায়ে সোনালি হরফে লেখা ‘সাগ্নিক ২২৩৪’।
পাতার পর পাতা উত্তর লিখে গেল মৃন্ময়। সময় এবার এগোলো সঠিক গতিতেই। একসময় তিনঘন্টা শেষ হয়ে গেল, মৃন্ময়ের লেখাও শেষ।
সেই অচেনা লোকটি হেসে জিজ্ঞাসা করল, “হাউ ওয়াজ দ্য পেপার, মিস্টার সেন?”
“দারুণ হয়েছে।” তৃপ্তির হাসি ঠোঁটে নিয়ে মৃন্ময় জবাব দিল। “আমি জানি না এসব স্বপ্ন না সত্যি, তবে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।”
“ধন্যবাদের কিছু নেই, মিস্টার সেন। আমাদের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য আপনার এত গুরুত্বপূর্ণ একটা পরীক্ষা নষ্ট হচ্ছিল; আমার বিবেকে বাধল, তাই এতটা ঝুঁকি নিয়ে নিজের দায়িত্বে এলাম।” একটু থেমে লোকটা আবার বলল, “কিন্তু এবার আমাদের ফিরতে হবে। আমার হাতেও আর সময় নেই।”
ঘড়ির বোতাম টিপল লোকটা। অমনি কাঁটাগুলো আবার তরতর করে ঘুরতে শুরু করল। পরীক্ষার হল, বেঞ্চ, প্রশ্নপত্র সব একটু একটু করে মিলিয়ে গেল অন্ধকারে।

মায়ের হাঁকডাকে ঘুম ভাঙল মৃন্ময়ের। “অ্যাই টুবলু, ওঠ, শিগগির ওঠ। তুই স্ট্যান্ড করেছিস! স্টেটে সিক্সথ হয়েছিস!”
ঘুম-জড়ানো চোখে মৃন্ময় বলল, “কী বলছ, মা? আজই তো পরীক্ষা শেষ হল, আজ কীভাবে রেজাল্ট বেরোবে?”
“শোনো ছেলের কথা! ওরে, পরীক্ষা শেষ হয়েছে আড়াই মাস হয়ে গেছে। ঘুমের ঘোরে কী স্বপ্ন দেখিস কে জানে! ওঠ, তাড়াতাড়ি এদিকে আয়, টিভিতে নাম দেখাচ্ছে তোর।”
চোখ রগড়ে উঠে বসল মৃন্ময়। ‘সবই কি তবে স্বপ্ন ছিল! সত্যি আড়াই মাস পেরিয়ে গেছে! তবে আমার যে মনে হচ্ছে আজই পরীক্ষা দিলাম।’ নিজের মনেই বলল সে।
মুখ ধুয়ে টিভির সামনে গিয়ে দাঁড়াল মৃন্ময়। বোর্ডে সিক্সথ হয়েছে সে। আরেকটু পরেই রিপোর্টাররা আসতে শুরু করবে বাড়িতে। আত্মীয়দের ফোন আসতে শুরু করে দিয়েছে সকাল থেকেই। বাড়িতে সবাই খুব খুশি আজ।
হঠাৎ টিভি-টেবিলের পাশে চোখ পড়ল মৃন্ময়ের। বুকের ভেতরটা যেন ধপ করে উঠল। তবে তো সেসব স্বপ্ন নয়! সময়ের কোনও এক দুর্বোধ্য মায়াজাল যার ফাঁকে কোথাও হয়তো আড়াই মাস আড়াই মিনিট হয়ে কেটে গেছে। টেবিল থেকে কলমটা হাতে তুলে নিল মৃন্ময়। কালোর গায়ে সোনালি রঙে জ্বলজ্বল করছে ‘সাগ্নিক ২২৩৪’, ঠিক বাইরের ওই ঝলমলে রোদ্দুরের মতো।
_____

অলঙ্করণঃ শুভ্রদীপ চৌধুরী

2 comments: