গল্পঃ ইয়েতির বিয়েঃ তন্ময় ধর



কাঁচা ঘুমটা হঠাৎ ভেঙে গেল। কে যেন কাঠের জানালার ওপর কড়কড় করে করাত চালাচ্ছে। শব্দটা খুব জোরে নয়। উঠে একবার দেখব কি? সাহস পেলাম না। শুধু মোবাইলের টর্চটা জ্বেলে জানালার দিকে তাক করলাম। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই খুলে গেল জানালাটা। খুলল মানে করাতে কাটা জানালার অংশটা ধড়াম করে মেঝের ওপর পড়ল। জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকল অতিকায় এক ছায়ামূর্তি। আমি কাঠ হয়ে বসে রইলাম বিছানার ওপর। হৃৎপিণ্ড গলার কাছে উঠে এল।
“টর্চটা নিভিয়ে দে।” বিকট স্বরে বলল সেই দানব। ভাষাটা কিন্তু হিন্দি।
আমি টর্চ নেভালাম। আর জানালা দিয়ে আসা হালকা জ্যোৎস্নায় দেখলাম দানবটা আস্তে আস্তে এগিয়ে আসছে আমার বিছানার দিকে। বিছানার খুব কাছে এসে দাঁড়াল সে। গম্ভীর স্বরে বলল, “আমি কৃষ্ণদানব ইয়াশের। হাজার বছর পরে পরে একবার দেখা দিই। তিব্বতের সেই অন্ধকার যুগে আমি রাজা লাংদারমাকে হত্যা করে দেশে শান্তি এনেছিলাম।”
কীভাবে রাজসভায় ঢুকে তির ছুড়ে লাংদারমাকে হত্যা করেছিল ইয়াশের সে বর্ণনা দিল খানিকক্ষণ। তারপর কীভাবে সে ঘোড়া ছুটিয়ে দূর দেশে গিয়ে মহাশূন্যের শ্বেতদানব হয়েছিল তারও বর্ণনা দিল।
“শোন, আমি যে এসেছিলাম এটা কাউকে কিন্তু বলবি না। তুইই পারবি কাজটা করতে। খুব কঠিন কাজ। কিন্তু তোর ওপর ভরসা করা যায়। তোর চোখেই সেই নীল আলো আছে।” অদ্ভুত হাসি হেসে দানবটা আমার খুব কাছে এল। “মোবাইলের টর্চটা জ্বেলে আলোটা নিজের চোখের ওপর ফ্যাল তো।”
আমি কাঁপা কাঁপা হাতে টর্চের আলো ফেললাম নিজের চোখে। দানব বিকট হাস্য করল। “এই তো, নীল চোখ! হবে, কাজটা হবে।”
“কী কাজ?”
“সেটা কালকেই জানতে পারবি। কাল সন্ধেয় আমার লোক এসে নিয়ে যাবে। অত্যন্ত দুর্গম অজানা এক জগতে। সভ্য পৃথিবীর মানুষ সেই পথের, সেই অজানা জগতের কথা জানে না। পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া প্রাণীদের বাস সেখানে।”
“ডাইনোসর! টেরোডাকটিল!”
“না।”
“তাহলে কী? তুষার-মানব ইয়েতি, সসকোয়াচ…”
“সেটা আগামীকালই দেখতে পাবি।” বলে দুদ্দাড় পা ফেলে জানালা দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল ওই দানব ছায়ামূর্তি।
কেমন যেন একটা ঘোর ভেঙে গেল। তাহলে কি আমি স্বপ্ন দেখলাম? কিন্তু জানালাটা তো সত্যিই খোলা। বিছানা থেকে নেমে জানালার কাছে গিয়ে টর্চ জ্বেলে দেখলাম। নাহ্‌, করাতে কাটার দাগ বা কাঠের গুঁড়ো কিছুই নেই। পুরনো জানালাটা আগেই ভাঙা ছিল। তাহলে স্বপ্নই দেখেছি। কিন্তু এত জীবন্ত! ইয়াশের, শ্বেতদানবーএদের কথাই বা স্বপ্নে এল কেন? ভাবতে ভাবতে কিছুতেই ঘুম আসছে না। জানালা খুলে দূরের ঐ রহস্যময় জ্যোৎস্না মাখা ধৌলাধর পর্বতমালার দিকে চেয়ে দেখতে লাগলাম। সত্যিই কোন এক অজানা রহস্য যেন ওর আড়াল থেকে আমায় ডাকছে। মাত্র দু’দিনের ছুটি নিয়ে ম্যাকলয়েডগঞ্জ থেকে সামান্য দূরে খানিয়ারার এই গ্রামে এসেছি। ধৌলাধর পর্বতমালার কোলের কাছে নয়নাভিরাম হৈমন্তী পূর্ণিমার সৌন্দর্য দেখব বলে। কিন্তু তার চেয়েও অনেক গভীর রহস্যে জড়িয়ে পড়তে চলেছি মনে হয়। হেমন্তের শিশিরের টুপটাপ শব্দ আর হিমালয়ের অজানা নিশাচর পাখির ডাক শুনতে শুনতে অনেক রাতে ঘুম এল।
সকালে ঘুম ভাঙল একটু দেরিতে। যেখানে উঠেছি সেটা হোটেল বা অতিথিশালা নয়। তাই একটু দূরে হেঁটে গিয়ে ওই ঘরের মালিকের দোকান থেকে চা-বিস্কুট আর স্নানের গরম জল জোগাড় করলাম।
“বাবুজি, কোই পরেশানি তো নহি হ্যায় না? নিন্দ মস্ত হুয়া না রাত মে?” বৃদ্ধ মালিক জিজ্ঞাসা করল।
“তা হয়েছে। কিন্তু ঘুমোনো আর ঘরে বসে থাকার জন্যে তো আসিনি। ঐ দূরে বরফমাখা পাহাড়গুলোয় যাওয়ার কিছু ব্যবস্থা করে দিতে পারো?”
“জরুর, বাবুজি। রামবাহাদুর আয়েঙ্গে না শাম কো। ওহি লেকে যায়েগা। ম্যায়নে বোল কে রখখা, বাবুজিকা কুছ অলগ হি দেখনে কা ইন্টারিস্ট হ্যায়…”
“হুম। কিন্তু বিকেলে রওনা দিলে ওখানে যেতে-যেতেই তো রাত হয়ে যাবে!”
“বাবুজি, ফিকর মত করো। উও রামবাহাদুর কো শর্টকার্ট পতা হ্যায় না।”
দুপুরের খাওয়ার পরই নাকি দেড়টা-দুটো নাগাদ রওনা দেওয়া যাবে।
“সে তো বুঝলাম। কিন্তু রামবাহাদুরের সাথে সরাসরি আমার একটু কথা হয়ে গেলে ভালো হত। কোথায় কী দেখাবে সেসব একটু জেনে নিলে... আমি আবার কাল রাতে একটা স্বপ্ন…” বলতে গিয়ে থেমে গেলাম। স্বপ্ন, নাকি বাস্তব সেটার নিষ্পত্তি করতে পারিনি এখনও।
দুপুরে রুটি আর কাবলি ছোলা দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারছিলাম ওই দোকানে বসেই। এমন সময় রামবাহাদুর এসে সেলাম করল। “সাব, রাওয়াতজি নে সব বোল কে রখখা। মেরে ভরোসে পে চলিয়ে। যো আপ সোচ সকতে হ্যায় উসসে কুছ জ্যাদা হি দেখ পায়েঙ্গে। কাল রাতে ইয়াশেরের স্বপ্ন দেখেছেন না? সবার ওরকম স্বপ্ন দেখার সৌভাগ্য হয় না।”
রামবাহাদুরের কথা শুনে বিস্ময়ে রুটি-ছোলা গলায় আটকে বিষম খেলাম।
“স্বপ্নের কথা তুমি জানলে কী করে, বাহাদুর?”
“চলুন না। রাস্তাতেই বলব সব। অনেক কিছু বলার আছে। অনেক দূরের রাস্তা। দেরি করা যাবে না।”
গাড়ি স্টার্ট দিতে গেল রামবাহাদুর। তারপর কী একটা মনে করে ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল, “মোবাইল, টর্চ, ক্যামেরা, পারফিউম এসব কিছু নেওয়া চলবে না। শুধু পিঠ-ব্যাগে শুকনো খাবার, আর জলের বোতল।”
তাই নিয়েই উঠে বসলাম গাড়িতে। রামবাহাদুর গম্ভীর হয়ে গাড়ি চালাতে শুরু করল। খানিকটা পথ পেরনোর পরই কোত্থেকে যেন অসময়ের পাহাড়ি মেঘ এসে ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু করে দিল।
“ধুর। বৃষ্টি শুরু হল দেখছি।” আমি একটু বিরক্তভাবে বললাম। “কী হে রামবাহাদুর, তুমি যে কোনোও কথাই বলছ না! তখন যে বললে, পথে অনেক কিছু বলবে!”
“হাঁ সাব, অভি এক সারপ্রাইজ দেতে হ্যায় আপকো।” হাসল রামবাহাদুর। প্রাণখুলে হেসে হঠাৎ বিশুদ্ধ বাংলায় বলে উঠল, “আমি রামবাহাদুর নই। আমার নাম হিমাদ্রি দাশগুপ্ত। একটু নেপালি নেপালি চেহারা হওয়ায় চট করে ছদ্মবেশ নিতে অসুবিধে হয় না। হিমাচল প্রদেশ ইউনিভার্সিটিতে তিরিশ বছর অধ্যাপনার পর চার বছর আগে অবসর নিয়েছি। হিমালয়ের প্রাণীতত্ত্ব এবং নৃতত্ত্ব নিয়ে প্রচুর গবেষণা করেছি আমি। হিমালয়ের বিভিন্ন শৈলশহরে আমার চারখানা বাড়ি আছে। থাক সেসব কথা। আপনাকে যেজন্য এখানে এনেছি, সেটা আগে বলে নিই। কথা দিন যে, কথাটা শুনেই ঘাবড়ে যাবেন না।”’
“আপনি তো আমাকে মস্ত গোলকধাঁধার মধ্যে ফেললেন মশাই! কেন এই ছদ্মবেশ? কেন ইয়েতি দেখানোর মিথ্যে প্রতারণা?”
“না না, ভুল বুঝবেন না। প্রতারণা নয়। ইয়েতি দেখবেন। শুধু দেখবেনই না, আরও অনেক কিছু হবে। ধৈর্য ধরে প্লিজ আমার কথা শুনুন।”
“বলুন। আমার কিন্তু ভাবগতিক মোটেও সুবিধের লাগছে না।” আমি গম্ভীরভাবে বললাম। বাইরে তুষারপাত শুরু হল।
“আজ থেকে প্রায় একুশ বছর আগে ধৌলাধর পর্বতের এক আদিম জনগোষ্ঠীর সন্ধান করতে এসে আমি ইয়েতির সন্ধান পাই। মাত্র তিনটি ইয়েতি। অবলুপ্ত হতে হতে ঐ সংখ্যায় এসে ঠেকেছে। এই ইয়েতিরা আদিম নিয়ন্ডার্থাল মানুষ। এদের জ্ঞাতিগোষ্ঠীর অন্য সবাই পৃথিবীর হিমযুগ শেষ হতেই আজ থেকে বারো হাজার বছর আগে অবলুপ্ত হয়েছে। উষ্ণ আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নিতে পারেনি। ধৌলাধর পর্বতের দুর্গম কয়েকটি গুহায় টিকে থাকা হিমযুগ-সদৃশ পরিবেশে কয়েকশো ইয়েতি রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু খাদ্যাভ্যাস ও কয়েকটি রোগের কারণে এদের সংখ্যা কমতে কমতে তিনে এসে দাঁড়িয়েছে। বাবা, মা আর একটি মেয়ে। মেয়েটির বয়স বর্তমানে বাইশ বছর। পরমাসুন্দরী কন্যা। সারা গায়ে লোম থাকলেও মুখমণ্ডল রোম-শূন্য। মুখের রঙ দুধে-আলতা, তিল ফুলের মতো নাক, নীলপদ্মের মতো চোখ। শর্মিলা ঠাকুর বা মেরিলিন মনরোকে হার মানাবে…”
“এসব শুনে আমার কী লাভ?”
“লাভ আছে বৈকি। কারণ, এ মেয়েকেই আপনাকে বিয়ে করতে হবে।”
“ক্কী, ক্কী বললেন? বিয়ে! আপনি কি পাগল হয়েছেন মশাই? গাড়ি ঘোরান। শিগগির গাড়ি ঘোরান।”
“গাড়ি ঘোরানোর আর উপায় নেই। তুষারপাত শুরু হয়েছে। চারদিক অন্ধকার। দেখছেনই তো গাড়ির চাকা কেমন পিছলে যাচ্ছে। বাইরে তাকিয়ে দেখেছেন কি? পথ নয়, এক সঙ্কীর্ণ গিরিখাত বেয়ে আমাদের গাড়ি চলছে। বেশি কথা বলে আমাকে ডিস্টার্ব করলে গাড়ি পিছলে চার হাজার ফুট নিচে খাদে পড়বে কিন্তু। অত্যন্ত দুর্গম জায়গা। ডেড বডি উদ্ধার করতে আগামী পাঁচশো বছরেও কেউ আসবে না। যা বলছি শুনুন। এ বিয়েটা করে নিন। হিমালয়ে আমার চারটে বাড়ি যৌতুক পাবেন। আমার সারাজীবনের সঞ্চয়ের আটত্রিশ লক্ষ টাকা পাবেন। উত্তরাধিকারসূত্রে ঠাকুমা-দিদিমার প্রচুর গয়না-হিরে-জহরত জমানো আছে।”
“লোভ দেখিয়ে এমন অনৈতিক কাজে আমায় ফাঁসাবেন না। বাড়িতে আমার বৃদ্ধ মা-বাবা রয়েছেন। পিতৃকূলের শিবরাত্রির সলতে আমি। এ বিয়ে আমি করতে পারব না কিছুতেই। প্লিজ। প্লিজ।”
“আহা, আমার কথাটা পুরো শুনুন আগে। মেয়েটা কোট-গাউন পরলে ইয়েতি বলে বোঝার জোটি নেই। দিব্যি ইউরোপিয়ান মেমসাহেব। তার আনন শ্বেতবর্ণ, নেত্র কৃষ্ণবর্ণ, অধর পল্লব আরক্তিম। মেয়েটা সিমলায় আমার বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করেছে, গানবাজনা শিখেছে। হ্যাঁ, বাইরের স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে যায়নি ঠিকই, কিন্তু ঘরে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়েছে। পাঁচটা ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারে। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, তিব্বতি আর সংস্কৃত। বাংলায় কবিতা লেখে। ইংরেজিতে শর্ট স্টোরি, ড্রামা লেখে। খুব ভালো রবীন্দ্রসঙ্গীত গায়। সুরবাহার আর রুদ্রবীণাও বাজায় চমৎকার। পালক পিতা বলছি না, এ-মেয়ে আমার রূপে লক্ষ্মী, গুণে সরস্বতী।”
“রবীন্দ্রসঙ্গীত গাক বলে ব্রহ্মসঙ্গীত গাক, রুদ্রবীণায় লঙ্কাদহন সারং রাগ বাজাক, আমি এ বিয়ে করতে পারব না। গাড়ি ঘোরান প্লিজ। এরকমভাবে বাধ্য করলে কিন্তু আমি পুলিশে ফোন করতে বাধ্য হব।”
“ফোন থাকলে তো করবেন! আর এই এলাকা ফোনের নেটওয়ার্ক তো বহুদূরের ব্যাপার, পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। মিছেই আপনি উত্তেজিত হচ্ছেন। শান্ত হয়ে বসুন। মেয়েটিকে একবার দেখলে আপনিই বিয়ের জন্যে পাগল হয়ে যাবেন। আমাকে আর কিছু বলতেও হবে না। শুধু বিশুদ্ধ বৈদিক রীতিতে আমি কন্যা সম্প্রদান করব। আর আমার ইয়েতি-মানুষ ক্রস ব্রিডিং এক্সপেরিমেন্ট সফল হবে। আমরা প্রায় এসে গেছি।” হাসলেন হিমাদ্রিবাবু। “ব্রহ্মকমলের মালা গেঁথে আপনাকে বরণ করার জন্যে সে-মেয়ে গুহাপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকবে। এই যে।” ঘ্যাঁচ করে ব্রেক চেপে গাড়ি থামল।
সত্যিই গুহামুখ আলো করে বেরিয়ে এল এক পরমা রূপবতী দিব্য স্ত্রীমূর্তি। ‘আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ’ হাসিমুখে গাইতে গাইতে সামনে এসে ঝপ করে আমার গলায় ব্রহ্মকমলের মালা পরিয়ে দিল। পাশ থেকে কারা যেন মন্ত্র পড়তে লাগল - “বলুন, ওঁ মম ব্রতে তে হৃদয়ং দধামি মম চিত্তমনুচিত্তম্‌ তে অস্তু…”। কেউ শান্তি-জল ছিটিয়ে দিল।
“উঠুন উঠুন।” কে যেন আমার চোখেমুখে জলের ঝাপটা দিয়ে ডাকছে।
চোখ খুললাম। “আমি কোথায়?”
“অ্যাকসিডেন্ট করে রাস্তায় পড়ে আছেন আপাতত। মাথায় ভালোরকম চোট পেয়েছেন।” অবিকল ইয়েতি-কন্যার মতো পরমাসুন্দরী এক যুবতী আমার সামনে এসে বললেন, “চলুন, এক্ষুনি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে আপনাকে।” তাঁর আনন শ্বেতবর্ণ, নেত্র কৃষ্ণবর্ণ, অধর পল্লব আরক্তিম।
আমি মেয়েটির মুখের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থেকে বললাম, “আপনি কি ইয়েতি?”
“ইয়েতি হতে যাব কোন দুঃখে? আমি প্রফেসর নীলেশ দাশগুপ্তের মেয়ে ঈশিতা। বাবার কার অ্যাকসিডেন্টের খবরটা পেয়ে ছুটে এসেছি। বাবা যা পাগলামো করেন আজকাল! ইয়েতি, ইয়াশের কত কিছু সেজে আপনাকে ভয় দেখানোর প্ল্যান করে রেখেছিলেন।”
“জানেন, আপনি না এলে ইয়েতি-কন্যার সাথে আমার বিয়ে হয়ে যেত! অর্ধেক মন্ত্র পড়া হয়ে গিয়েছিল।”
“বাকি অর্ধেকটাও শিগগির হয়ে যাবে। সুস্থ হয়ে উঠুন।” ঈশিতা হাসল, অবিকল সেই ইয়েতি-কন্যার মতো।

_____

2 comments:

  1. গল্পটার মধ্যে বেশ একটা ইয়ে...মানে চমক আছে, এ কথা বলতেই হবে।

    ReplyDelete
  2. খাসা গল্প :D :D বেশ লাগলো|

    ReplyDelete