গল্পঃ ভূতনাথবাবুর ভূতঃ অরিন্দম দেবনাথ



“বাবু, এইবার আপনে এইসব ছাইপাঁশ নিয়া খেলা করা ছাড়েন।”
“ছাইপাঁশ মানে?”
“মানে এইসব ভূত-পেরেত নিয়া খেলা, দ্যাখলেন তো কী হইতাসে? শ্যাষে কিনা আপনারেই ভূতে ধরল!”
“কী বললি? আমাকে ভূতে ধরেছে? কে বলল তোকে?”
“আপনেই তো কয়দিন ধইর‍্যা কইতাসেন যে রাত্তিরে আপনার মনে লাগে, কে যেন আপনার গলা টিপ্যা ধরে।”
“আরে এর সাথে ভূতের কী সম্পর্ক! বয়স হয়েছে, হার্টে কোনও প্রবলেম হয়েছে হয়তো। একবার ডাক্তারের কাছে যাব ভাবছি।”
“সে দ্যাখান, হাটে পবলেম হইল্যে বুকে ব্যাথা হয় শুনছি। গলায় কিছু হয়, এমন কথা শুনি নাই। এইবার খোকার কাছে বাঙ্গালোর চইল্যা যান, আমারও বয়স হইছে, আমিও দ্যাশের বাড়ি চইল্যা যাই।”
“তুই বুড়ো হয়ে গেলে দেশের বাড়ি চলে যা। আমি এই বাড়ি ছেড়ে কোথায় যাব না। বড়ো ডাক্তার হয়েছেন!” গজগজ করতে থাকলেন ভূতনাথবাবু।
“হে যাইবেন ক্যান! তাইলে যে আপনার ভূতের বাড়ি গিয়া থাকার সাধ ঘুইচ্যা যাইব। খোকারে আমি ফোন কইর‍্যা কইতাসি আপনারে ভূতে ধরনের কথা।”
“অ্যাই, খোকার সাথে এই ব্যাপারে কোনও কথা বলবি না, বললেই তোকে তাড়িয়ে দেব।”
“আমারে তো রোজই তাড়ান, পরক্ষণেই তো ডাকেন, ‘তরণী, চা দিয়া যা।”


ভূতের বাড়ি খুঁজে বেড়ানো ভূতনাথবাবুর নেশা। সেই ছোটোবেলা থেকে। ভূতের খোঁজে শ্মশান-কবরখানায় রাত কাটিয়েছেন অনেক। থেকেছেন অনেক পোড়ো-বাড়িতে। কিন্তু এমন কোনও কিছুর খোঁজ পাননি যাকে ভূতুড়ে বলা যেতে পারে। বিয়ের পর ভূতের পেছনে ছোটা বন্ধ হয়ে গেছিল স্ত্রীর ভয়ে। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর ভূতের বাড়ির খোঁজখবর নেওয়া শুরু করছিলেন ঠিকই, কিন্তু ওঁর স্ত্রী জানতে পেরে এমন দাবড়ানি দিয়েছিলেন যে খোঁজখবর নেওয়া শিকেয় তুলে রেখেছিলেন। তবে সকালে হাঁটতে গিয়ে বাল্যবন্ধু, এক সময়কার সহ-ভূতসন্ধানী অকৃতদার রামনাথবাবুর সাথে ভূত নিয়ে পার্কের বেঞ্চে বসে আলোচনা হয় প্রবল। ওঁর সংগ্রহে দুনিয়ার অজস্র ভূতের বই আছে। এমনকি বেশ কিছু ওঝার সাথে ওঁর আলাপ আছে। কাউকে ভূতে ধরেছে খবর পেলে ওই ওঝারাই রামনাথবাবুকে খবর দিয়ে দেয়, আর রামনাথবাবু ওঝাদের সাথে হাজির হন ভূতাক্রান্তের বাড়ি। ডাইরিতে লিখে রাখেন সব বিবরণ।
একদিনের প্রবল জ্বরে ভূতনাথবাবুর স্ত্রী মারা যাবার পর সময় কাটাতে রামনাথবাবুর সঙ্গ ধরেছেন ভূতনাথবাবু। বেশ কয়েকটি পোড়ো-বাড়িতে রাত কাটিয়েছেন। কিন্তু ভূতের দেখা পাননি। বরং শতরঞ্চিতে শুয়ে দিব্যি নাক ডেকে ঘুমিয়েছেন। বেঙ্গালুরু প্রবাসী ছেলে ভূতনাথবাবুকে নিজের কাছে নিয়ে রাখতে চেয়েছে অনেকবার। কিন্তু বাড়ি ফাঁকা থাকলে কেউ দখল করে নিতে পারে এই আছিলায় ছেলের প্রস্তাব কাটিয়ে দিয়েছেন প্রতিবার। বলেছেন, “শহরে আমার ভালো লাগে না। তাছাড়া তরণী আছে, চিন্তা কী? কিছু অসুবিধা হলে নিশ্চয়ই তোর কাছে চলে যাব।”
ভূতনাথবাবুর কথা শুনে ওঁর ছেলে আর জোর করেনি। কারণ ওর নিজেরও শহরের চাপা পরিবেশ ভালো লাগে না। বেঙ্গালুরু পড়ে আছে শুধু চাকরির তাগিদে।


***


“না না, আপনার হার্টে কোনও সমস্যা নেই। ই.সি.জি. রিপোর্ট একদম পরিষ্কার। তবে পেটে গ্যাস জমলে অনেকের শুয়ে থাকলে মনে হয় দমবন্ধ হয়ে আসছে। ওষুধ দিয়ে দিচ্ছি, রোজ সকালে খালি পেটে একটা করে একমাস খাবেন। তারপর যদি সমস্যা না কমে তখন টেস্ট-ফেস্ট করে দেখা যাবে।”
সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারের কথা শুনে খানিক আশ্বস্ত হলেন ভূতনাথবাবু। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তরণীকে বললেন, “শুনলি তো ডাক্তারের কথা। খোকাকে জানিয়ে দিস, ও আবার চিন্তায় থাকবে।”
“আইচ্ছা জানাইয়া দিমু অনে, আপনে বাড়ি যান, আমি লকেটের লাইগ্যা খানিক মাংস নিয়া আসি।”
দিন পনেরো হল ভূতনাথবাবু একটি ফক্স-টেরিয়ার কুকুরের বাচ্চা ঘরে এনেছেন। ওর নাম দিয়েছেন লকেট। সে প্রায় লকেটের মতোই ভূতনাথবাবুর গলার কাছে লটকে সারাদিন আদর খায়। সার্থক নামকরণ।
“ঠিক আছে যা, আর ওষুধগুলো আনতে ভুলিস না।”
“আরে আমি কিছু ভুলুম না। কিন্তু আপনে যে আইজকাল সবকিছু ভুইল্যা যান সেইটাই মানেন না।”
“কী বলতে চাস তুই?”
“ভুইল্যা গ্যালেন, হাসপাতাল থেইক্যা বিনাপয়সায় সব ওষুধ দিয়া দিল!”
“ঠিক আছে ঠিক আছে, তাড়াতাড়ি বাজার যা।” মনে মনে জিভ কাটলেন ভূতনাথবাবু। আজকাল অনেক কথাই ভুলে যাচ্ছেন তিনি।


***


চিন্তায় পড়ে গেছেন ভূতনাথবাবু। দু’দিন ধরে ওষুধ খাবার পরও ব্যারামটার কোনও রকমফের হয়নি। সেই মাঝরাতে গভীর ঘুমে চলে গিয়েও বেশ টের পান দমবন্ধ হয়ে আসছে তার। কে যেন গলা চেপে ধরছে।
সকালে পার্কের বেঞ্চে বসে বন্ধু রামনাথবাবুকে বলেই ফেললেন কথাটা। “বুঝলি রামু, ডাক্তার যতই বলুক এ গ্যাসের ব্যথা, আমার কিন্তু অন্যকিছু সন্দেহ হচ্ছে। শুনেছি আমাদের এই বাড়িটার পাশেই নাকি কোনও একসময় কবরখানা ছিল। নাকি অন্য একটা ডাক্তার দেখিয়ে...”
“তুই তো আবার সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার ছাড়া দেখাবি না। এখানকার হাসপাতালে তো ওই একই ডাক্তার পাবি। তাহলে কাকে দেখাবি? বরং রুকন নার্সিং হোমে পল্লব ডাক্তারকে...”
“না না, আর কোনও ডাক্তার দেখাব না। বলি কী, এতদিন ধরে তো ভূতের পেছনে ছুটছি। তুই তো বলতে গেলে ভূত বিশেষজ্ঞ। যদিও আজ পর্যন্ত কোনও ভূতের দেখা তুই বা আমি কেউই পাইনি। কেন জানি না আমার কিন্তু সন্দেহ হচ্ছে তাঁরা আছেন। একবার পাকু ওঝাকে ডেকে ওর মতামত নিলে হয় না?”
“তোর কাছ থেকে এটা আশা করিনি ভুতু। তুই নিজেও জানিস ওইসব ওঝা একেকজন বুজরুক। ওরা আমার কাছে স্বীকারও করছে পেট চালাতে ওরা এসব করে। ঝাড়ফুঁক করে জলপড়া খাওয়ানোর নামে ওরা জলের সাথে ওষুধ মিশিয়ে দেয়।”
“তোর ওইসব কথা ছাড়। এতদিনে একটাও ভূতের দেখা পাসনি। এবার আমার দৌলতে যাওবা একটা সম্ভবনা এসেছে, সেটাও হেলাতে হারাতে চাস। অন্যরা কী বলে জানি না, কিন্তু কেউ যে মাঝরাতে আমার গলা চেপে ধরছে সেই অনুভুতির কথা তো আমি হলফ করে বলছি।”
“তুই আমার বন্ধু ও সহ-ভূত খুঁজিয়ে না হলে আমি অন্যকিছু ভাবতাম। ঠিক আছে তোর কথা মেনে নিচ্ছি। ডেকে পাঠাচ্ছি পাকু ওঝাকে।”


***


“বাবু, আপনেরে আগেই কইছিলাম ওইসব ভূতের পেছনে ছোটা ছাড়েন, শোনেন নাই। এইবার ওঝা ডাইক্যা ভূত তাড়াইয়া ভূতেগো লইয়া মজা করা বন্ধ করেন। যার নামেই ভূত... হঃ, কয় কিনা আমি ভূতের বাবা। ভূতনাথ! যাই, খোকারে ফোন করি গিয়া।”
“খবরদার, খোকাকে ফোন করবি না। স্পাই হয়েছে বড়ো! সব খবর দেওয়া চাই।”


রামনাথবাবুর সাথে পাকু ওঝা ঢুকে ভূতনাথবাবুর শোওয়ার ঘর ঘুরে বাড়ির চারপাশটা খানিক দেখে, বারান্দার এককোণে বসে গম্ভীর হয়ে বলল, “তিনি আছেন, তবে ক্ষতিকর নয়। জানেন তো, বহুবছর আগে এটা কবরস্থল ছিল। আমি বাড়ি বন্ধন করে যাচ্ছি। তিনি আর এ-বাড়িতে ঢুকতে পারবেন না।”
“তাকে দেখা যাবে না?” ভূতনাথবাবু অধীর হয়ে জানতে চাইলেন।
“এনারা তো সহজে দেখা দেন না, বাবু। শুধু আছেন এটাই জানান দেন। অতৃপ্ত আত্মা। একটা যজ্ঞি করতে পারলে ভালো হত। তাতে অনেক খরচ। তবে যা বন্ধন দিলাম তাতে উনি আর ঢুকতে পারবেন না।”
কোনও টাকা নিতে চায়নি, তবুও পাঁচশো টাকা পাকুর হাতে গুঁজে দিলেন ভূতনাথবাবু। আজ রাতে যদি শান্তিতে ঘুমোতে পারেন, তবে বুঝতে হবে ভূতপ্রেত বলে সত্যিই কিছু আছে। আর ওঝাগিরিও যে পুরোপুরি বুজরুকি নয় সেটাও প্রমাণ হয়ে যাবে। রামনাথও খানিক টিট হবে। বুঝবে ভূত আছে, শুধু ওই খুঁজে পায়নি। আরে যার নাম রামনাথ তার কাছে কখনও ভূত আসে?


***


“কী রে, কাল রাতে ঘুম হয়েছিল তো?” সকালে হাঁটতে গিয়ে পার্কে ভূতনাথবাবুর মুখোমুখি হতেই জানতে চাইলেন রামনাথবাবু।
“না রে, পাকু ওঝার বন্ধনে কোনও কাজ হয়নি। কালও গলা চেপে ধরেছিল কেউ।”
“চিন্তায় ফেললি রে ভুতো!” বললেন রামনাথবাবু।
“তাহলে কি পাকু ওঝার কথামতো একটা যজ্ঞ করে দেখব?”
“তোকে আগেই বলেছিলাম ওঝা-টোঝা সব হল বুজরুকি বিদ্যা। এতদিন ভূতের সন্ধানে ঘুরলাম, আজ পর্যন্ত কিছু দেখতে পাইনি। এবার একটা সুযোগ এসেছে। আজ রাতে তোর ঘরে থাকলে তোর কোনও আপত্তি নেই তো?”
“আপত্তি? আমি নিজেই ভাবছিলাম তোকে বলব একরাত আমার ঘরে থেকে দেখতে। আজ সন্ধেবেলা চলে আয়, রাতে এখানেই খেয়ে নিবি।”
“না না। আমার অনেক কাজ আছে। আমি রাতে খেয়েদেয়ে আসব।”
“আসবি তো?”
“কেন, তুই কি ভাবলি আমি ভূতে ভয় পাচ্ছি? না। ভূত কিনা বোঝার জন্য আমার নিজস্ব কিছু পদ্ধতি আছে। সেগুলোর প্রস্তুতি নিতে আমার সময় লাগবে।”


রাত এগারোটার সময় বাড়ির চারপাশে সূক্ষ্ম সুতো বেছাতে বেছাতে রামনাথবাবু বললেন, “তুই যে ঘরের দরজা খুলে ঘুমোস একথা তো আগে বলিসনি! ভাগ্যিস তরণী বলল।”
“ইয়ে মানে, আমার ‘ক্লোজড-ডোর ফোবিয়া’ আছে। দরজা বন্ধ করে ঘুমোতে পারি না। তবে ঘরে চোর ঢুকতে পারবে না। কাঠের দরজার আগে লোহার গ্রিল আছে। ওটা তো বন্ধ করে শুই।”
“এই রোগ নিয়ে ডাক্তারের সাথে কথা বলিসনি?”
“আমাকে মনোবিদের কাছে যেতে বলেছিল। আচ্ছা আমি কি পাগল, যে পাগলের ডাক্তারের কাছে যাব?”
“মনোবিদ মানে কিন্তু শুধু উন্মাদের চিকিৎসক নয়। পরে এ নিয়ে আলোচনা করব। এখন আমাকে কাজ করতে দে।”
“আরও কী করবি বলবি কি?”
“তোর শোয়ার ঘরের দরজার সামনে সুতো বেছাব।”
“এই সুতো দিয়ে হবেটা কী? তোর সাথে আগে তো অনেক পোড়ো-বাড়িতে রাত কাটিয়েছি। কই, সেখানে তো তোকে সুতো বেছাতে দেখিনি!”
“তুই আর ক’টা বাড়িতে আমার সাথে গেছিস বল! ছাড় ওসব কথা। এই সুতোতে একটু টান পড়লেই আমার পকেটে রাখা একটা যন্ত্র ভাইব্রেট করে উঠবে। আমি টের পেলেও কেউ এই সুতো মাড়িয়ে এলে সে বুঝতে পারবে না যে আমি তার উপস্থিতি জেনে গেছি।”
“কিন্তু ভূতেদের তো সূক্ষ্ম শরীর!”
“দেখা যাক।”
“আচ্ছা, কতদিন ধরে ঘটনাটা ঘটছে যেন?”
“এই দিন দশ-পনেরো।”
“চল, ঘুমোনো যাক।” বললেন রামনাথবাবু।


***


ভূতনাথবাবুর শোবার ঘরে দুটো ছোটো শোবার খাট ঘরের দু’পাশের দেয়াল ঘেঁষে। মাঝে অনেকটা ফাঁক। সেখানে একটা গোলটেবিলকে ঘিরে চারটে কাঠের চেয়ার। একটা চেয়ার টেনে খাটের ধারে নিয়ে, খাটের তলা থেকে একটা জলচৌকি বের করে তাতে পা তুলে, চেয়ারে বসে একটা বই খুলে খাটে রেখে তেরছা হয়ে পড়তে লাগলেন ভূতনাথবাবু।
“কী রে, ঘুমোবি না?” রামনাথবাবু জিজ্ঞেস করলেন।
“শোওয়ার আগে একটু বই না ঘাঁটলে আমার আবার...”
“টেবিলের ধারে বসে বা খাটে শুয়ে বই না পড়ে এরকম ত্রিভঙ্গ হয়ে বই পড়ছিস যে?”
“ছোটোবেলাকার অভ্যেস।” বললেন ভূতনাথবাবু।


বুক পকেটে রাখা ভাইব্রেটর যন্ত্রটা কেঁপে উঠতেই সজাগ হয়ে গেলেন রামনাথবাবু। একটা কিছু বাড়িতে ঢুকেছে। কিন্তু সেটা কোথায় বোঝার উপায় নেই। মুশকিলটা হল সুতোর ওপরে একটা ব্যাঙ পা রাখলে বা জোর হাওয়ায় সুতো নড়ে উঠলেই তার পকেটে রাখা যন্ত্রটা ভাইব্রেট করে উঠবে। বিছানার ওপর উঠে বসে ঘরের অন্ধকারে চোখটাকে ধাতস্থ করে নিলেন তিনি। হাতে চার ব্যাটারির টর্চ ধরে আছেন। কিন্তু নিশ্চিন্ত না হয়ে আলো জ্বালানো যাবে না। না, ঘরে কেউ ঢোকেনি। তবে কি বাইরে কেউ এল? কিন্তু ভূতনাথের গলা চাপতে হলে তো ঘরে ঢুকতে হবে।
ভূতনাথবাবুর গলা থেকে একটা চাপা গোঙানির আওয়াজ আসতে আঁতকে উঠলেন রামনাথবাবু। খোলা দরজা দিয়ে আসা মৃদু আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ভূতনাথবাবু একা শুয়ে আছেন বিছানায়। তবে কি…
নিজের অজান্তেই টর্চের বোতামে চাপ দিয়ে ফেলেছেন রামনাথবাবু। সেই আলো গিয়ে পড়েছে সরাসরি ভূতনাথবাবুর গায়ে। ভূত দেখার মতোই চমকে উঠলেন রামনাথবাবু।
ভূতনাথবাবুর গলার উপর চোখ বুজে শুয়ে আছে লকেট। পুঁচকে কুকুরছানাটাকে সারাদিন ভূতনাথবাবু যেভাবে গলার কাছে চেপে রাখেন অনেকটা সেরকমভাবেই।


_____

2 comments:

  1. ভূতনাথ ময়, ভূত ধরে দ্যাবনাথ। জয় ভূতের রাজা দেবনাথ।

    ReplyDelete