আমার স্কুলঃ আমি, অঙ্ক ও বুক কিপিং - অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়


যে বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসি, সেটা ছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ১০+২ সিস্টেমে পরীক্ষা নেওয়া চালু হওয়ার দ্বিতীয় বছর। নতুন সিলেবাসের প্রথম বছর পরীক্ষা নিল মধ্যশিক্ষা পরিষদ। একবছরের বড়ো দাদাদিদিরা ঘোল খেল পরীক্ষায় মারাত্মকরকম। আমাদের তখন ক্লাস নাইন। সেই সময়ে ছাত্র মহলে একটা কথা খুব চালু ছিলㅡক্লাস নাইন, ভেরি ফাইন। ইংরেজিতে ‘ফাইন’ কথাটার দুটো মানে আছেㅡএকটা হল ‘খুব ভালো’, আর একটা হল ‘দণ্ড’। প্রথমটা আমাদের কাছে অধরা থেকে গেল। দ্বিতীয় অর্থটা দাঁতাল রূপ দেখাল। ধরো তুমি একটা আইন ভেঙে অন্যায় করেছ। এবার ফাইন দিয়ে তার প্রায়শ্চিত্ত করো। ব্যাপারটা হল সেইরকমের। বুঝলাম না, আমাদের ব্যাচের ছেলেমেয়েরা কী পাপে শাস্তি পেল। অথচ আমরা তখনও নিষ্পাপ বালক-বালিকার দল দিব্যি বাড়ির লোকজনদের কথা শুনে চলি। পড়ার সময় পড়া, আর খেলার সময় খেলে সুয্যি ডুবে যাওয়ার আগে গুটিগুটি পায়ে ঘরে ফিরে আসি। শাস্তিটা কী জাতীয় হল সেটা বুঝতে গেলে নতুন সিলেবাস চালু হবার আগের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা একটু বলে নেওয়া ভালো। যে শিরোনাম দিয়ে শুরু করেছি, সেটা বুঝিয়ে বলতে গেলে ওটা খুব দরকার।
ক্লাস এইটে যখন আমরা পড়তাম তখন প্রশ্নের লম্বা লম্বা উত্তর লিখতে হত। সেটি ছিল পুরনো সিলেবাস। ধরো ইতিহাসের প্রশ্ন এল, ‘মোগল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ লেখো’। এবার যে যত ইনিয়ে বিনিয়ে পাতার পর পাতা খাতা ভরাতে পারবে, সে তত বেশি নম্বর পাবে। কম লিখেছ, তো মরেছ। দশটা দশ নম্বরের প্রশ্নে দশটা লম্বা উত্তর লিখলেই চলত। অঙ্কের প্রশ্নপত্রে গোটা পনেরো-কুড়ি অঙ্ক কষে ফেলতে হত।
যেই না আমরা নাইনে উঠলাম, শোনা গেল প্রশ্নপত্র বদলে যাবে। দশটি অবজেক্টিভ প্রশ্ন থাকবে। সেগুলোর প্রতিটিতে থাকবে এক নম্বর করে। উত্তর দশ মিনিটে লিখে জমা করে বড়ো প্রশ্নপত্রে হাত দিতে হবে। সেখানেও কোনও প্রশ্নে দুই নম্বর, কোনোটাতে তিন, কোনোটায় পাঁচ। যত নম্বর, তার সঙ্গে সমানুপাতিক লম্বা উত্তর দিতে হবে। একটু বেশি কি কম লিখেছ, তো ঘ্যাচাং করে কেটে নেওয়া হবে নম্বর।
আমরা যত না বিপদে পড়লাম, মাস্টারমশাইয়েরা পড়লেন আরও বড়ো বিপদে। নিজেরা নতুন পদ্ধতিতে সড়গড় হয়ে তবে তো ছাত্রদের বোঝাবেন! তারা নিজেরাই কিছুটা বুঝে, কিছুটা না বুঝে, আমাদের বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন আদেশ দিতে লাগলেন। আমারা যারপরনাই হতাশ হয়ে বুঝে গেলাম, এ জীবনে মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করা কপালে নেই। বাড়ির লোকেরা চিন্তিত, বিপর্যস্ত।
নাইনের হাফ ইয়ার্লি পরীক্ষায় অঙ্কে ডাহা ফেল করলাম, ১০০তে ১৩ পেলাম। অন্য বিষয়গুলোতেও অবস্থা শোচনীয় বললে শব্দটার প্রতি অন্যায় করা হয়। আমার বাবামশাই একেবারে ভেঙে পড়লেন। অঙ্কে যে মোটামুটি ভালোই চালিয়ে এসেছে ক্লাস এইট পর্যন্ত, তার এই দুর্দশা! আড়াল থেকে শুনলাম, বাবা মাকে বলছেন, “ছেলের ভবিষ্যৎ একেবারে অন্ধকারে ডুবে আছে। অঙ্ক না শিখলে মাধ্যমিকের বেড়াজাল পেরনো মুশকিল হবে। আমি সাহিত্যের ছাত্র ছিলাম, অঙ্ক জানি না। এবার যত কষ্টই হোক সংসার চালাতে, একটা অঙ্কের টিচার না রাখলে চলবে না।”
মা আড়ালে আমাকে ডেকে নিয়ে বললেন, “অন্য বিষয়গুলোর সঙ্গে অঙ্কটাও মন দিয়ে করতে হবে। এবার মাস্টারমশাই আসছেন, মন দিয়ে লেখাপড়া করো।”
ইস্কুলে অঙ্কের মাস্টারমশাইদের আমি খুব একটা পছন্দ করতাম না, বরং তাঁদের খুব নিষ্ঠুর মনে হত। যা ক্লাসে পড়াতেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে তার ঠিক উলটোটা জিজ্ঞেস করে মনে হয় আড়ালে আমাদের বিপদে পড়তে দেখে খুব হাসতেন। এর আগে ইস্কুলে ভালো ছাত্র বলে সুখ্যাতি না থাকলেও কুখ্যাতি কপালে কোনোদিন জোটেনি। এবার স্কুল যাওয়া দায় হল। অঙ্কে ফেল করে মুখ দেখাব কী করে? স্কুলে ঢুকতে না ঢুকতে ইংরেজির মাস্টারমশাই পীযূষবাবু করিডোরে আমাকে দেখেই চোখ কপালে তুলে বললেন, “এটা তুই কী করলি রে? অঙ্কে একেবারে ফেল! নেহাত হাফ ইয়ার্লি, তাই বেঁচে গেলি। পড়াশুনোয় মন দে, নইলে বংশের নাম ডোবাবি।”
বংশের নাম ডোবার ব্যাপারটা সেই প্রথম মাথায় ঢুকল। বাড়ি ফিরে মাকে জিজ্ঞেস করলাম, “বংশে কী সবাই নামজাদা ব্যক্তি ছিল নাকি আমাদের?”
মা বলল, “জানি না বাপু। তোর বাবা ইতিহাসের ছাত্র ছিল। এর আগে কে কেমন ছিল কে জানে। তখন দেশ স্বাধীন হয়নি। তোর বাবা-কাকারা সব কষ্ট করে বড়ো হয়েছে...।”
বোঝা গেল পূর্বসূরিদের নামডাক ছিল কি না সেটা না জানলেও উত্তরসূরিদের হাতে প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম উজ্জ্বল করার দায়বদ্ধতা থেকেই যায় পরবর্তী প্রজন্মের।
নবনিযুক্ত অঙ্কের মাস্টারমশাই একদিন সন্ধেবেলা এসে পড়লেন আমাদের বাড়িতে। আপ্যায়ন করে আমাদের বসার ঘরে তার সামনে আমাকে হাজির করা হল। তিনি এক স্কুলের হেডমাস্টারমশাই (এখন প্রিন্সিপাল বলা হয় যাদের)। ধুতি-পাঞ্জাবি পরা সেই মাস্টারমশাইকে আমি চিনতাম ঠিকই, তবে জানতাম না যে তিনি অঙ্কের বিশারদও। প্রথমদিন শুধু আলাপচারিতায় কেটে গেল। মৃদুভাষী সহাস্য ভদ্রলোককে বেশ মনে ধরল, কিন্তু অঙ্কের মাস্টারমশাই বলে একটুও মনে হল না। স্কুলে অঙ্কের মাস্টারমশাইদের দেখে তাঁদের হৃদয়হীন পাষণ্ড বলেই মনে হয়েছে চিরকাল।
পরদিন থেকে ক্লাস শুরু হল অঙ্কের। মাস্টারমশাই বললেন, “অঙ্ককে ভয় পেলে চলবে না, তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হবে। জানবে যত ছোটো অঙ্ক, তত ধানি লঙ্কা। তাতে ঝাল বেশি। তবে একবার যদি ঝাল খাওয়া অভ্যেস হয়ে যায়, তোমাকে কেউ কুপোকাত করতে পারবে না।”
অঙ্কের অন্ধকার জগত আলোয় উদ্ভাসিত হল। মনে হল একেকটা অঙ্ক যেন ক্রিকেটের একেকটা বলㅡকোনোটা লেগ স্পিন, কোনোটা অফ স্পিন, কোনোটা একেবারে সোজা বল, কোনোটা তীব্র বাউন্সার। সবক’টি বল মারার একেক নতুন কায়দা রপ্ত হল মাস্টারমশাইয়ের হাতে। নতুন সিলেবাসের প্রশ্ন হয়ে উঠল সহজ। এ যেন একটা নতুন চ্যালেঞ্জ। পড়াটা আর পড়া না হয়ে মাস্টারমশাইয়ের তত্ত্বাবধানে কিছুদিনের মধ্যেই হয়ে উঠল খেলা।
বিপদ এল এইবার। চিরকাল বিজ্ঞান আমার প্রিয় বিষয়। বিজ্ঞান পড়তে গেলে অঙ্কে পাকা হওয়া চাই। ক্লাস নাইন ও টেনে সব বিষয়ে পড়তে হবে, বাধা নেই। এইবার বোর্ডের আদেশ হল, একটা অতিরিক্ত বিষয় নিয়ে পড়তে হবে, যাকে বলা হল অ্যাডিশনাল সাবজেক্ট। বেশি বাছাবাছি করার স্বাধীনতা নেই, হয় অ্যাডিশনাল ম্যাথামেটিক্স নাও, কিম্বা বুক কিপিং। দ্বিতীয় বিষয়টা জানা-চেনার একেবারে বাইরে ছিল। বাড়িতে মত প্রকাশ করলাম, অ্যাডিশনাল ম্যাথস নেব। প্রস্তাব খারিজ হয়ে গেল। বাবা আদেশ জারি করলেন, “হাফ ইয়ার্লির যা অঙ্কের নম্বরের বহর, তাতে সায়েন্স নয়, কমার্স নিয়ে পড়াই হবে ভবিষ্যতের ভিত পাকা করার সঠিক রাস্তা। আর অসিতবাবু অঙ্ক পড়ান ঠিকই, কিন্তু উনি কমার্সের লোক। একসঙ্গে দুটো সাবজেক্ট ম্যানেজ করে নেবেন, বুক কিপিং আর অঙ্ক। স্কুলে গিয়ে বুক কিপিংয়ে নাম লিখিয়ে এস। এক ম্যাথসে রক্ষা নেই, তার উপর অ্যাডিশনাল বোঝা নিয়ে ধ্যাড়াবে বোর্ডের পরীক্ষায়।”
জীবন থেকে যেন সব রস নিংড়ে নিল সবাই মিলে। শেষে কমার্স পড়তে হবে? বিজ্ঞানের সব তাক লাগানো পরীক্ষানিরীক্ষাগুলো তাহলে কে করবে? মাস্টারমশাই ছিলেন আমার বন্ধু। তাঁকে বললাম আমাকে রক্ষা করতে। তিনি হেসে বললেন, “বুক কিপিং খুব সহজ সাবজেক্ট। আমি সপ্তাহে একদিন দেখিয়ে দিলেই হয়ে যাবে। অ্যাডিশনাল ম্যাথস নিলে কিন্তু আবার অন্য কারও কাছে পড়তে হবে।”
বাধ্য হয়ে বুক কিপিংয়ে মোহর লাগালাম স্কুলে গিয়ে। অঙ্ক অনেকটা বশে এসে গেছে ততদিনে। কিন্তু বুক কিপিং দেখলে বিভীষিকা, হিসেব আর মেলে না। ডেবিট আর ক্রেডিট না মিললে যেন নিজেই নিজের কাছে হেরে যাওয়া। পৃথিবী জুড়ে এত বিস্ময়, যার অনেকটাই ধরা পড়ে বিজ্ঞান পড়ে, সেইসব ফেলে রেখে জীবনটা গরলে গেঁজিয়ে ওঠে বুক কিপিংয়ের লেজার আর ক্যাশ বুক সামলাতে সামলাতে। বুঝতেই পারলাম না, এই হিসেবগুলো কার কাজে লাগে। কীসেরই বা ব্যাবসা, কীসের হিসেব!
স্কুলে একজন মাস্টারমশাই আমার খুব কাছের মানুষ ছিলেন। তিনি অরুণোদয়বাবু। আমাদের বাংলা পড়াতেন। মন খুলে অরুণবাবুর কাছে সব বললাম। স্যারের চেহারাটা ছিল সিনেমার নায়কের মতো। আমার ব্যথার কথা শুনে-টুনে ঘাড়ের কাছ থেকে লম্বা কান ঢাকা চুল সরিয়ে দিয়ে বললেন, “এই ধর যেমন আমার মনে হয়, তোর লেখার হাতটা বেশ। বাংলা নিয়ে পড়লে অনেক উন্নতি করতে পারিস। কিন্তু তুই সেটা শুনবি না। তোর যা ভালো মনে হয়, তাই নিয়ে পড়বি। বিজ্ঞান চাইলে বিজ্ঞানই হবে। তবে মাধ্যমিকে কিন্তু সায়েন্স আর ম্যাথসে ভালো করতে হবে। একবার দশ ক্লাসের গণ্ডী পেরোলে তোকে আর পায় কে। তখন এই খিচুড়ি মার্কা পড়াশুনো করতে আর হবে না। লেগে পড়। দেখা যাক কী হয়।”
অরুণবাবুর লেখার হাত কতদূর ছড়িয়েছিল, আমরা জানতামও না। আনন্দবাজার পত্রিকায় সাংবাদিকতা করার চাকরি পেয়ে স্কুলের চাকরিটা তিনি ছেড়ে দিলেন। দুঃখ হল, কিন্তু তাঁর কথাগুলো ততদিনে মনের গভীরে পাকাপাকিভাবে দাগ ফেলে দিয়েছে। ক্লাস নাইনের পরীক্ষার ফল বেরোল। সব বিষয়েই ফল বেশ ভালোর দিকে, অঙ্কে খুব বেশি নম্বর আসেনি, কিন্তু হাইয়েস্ট মার্কস সেটাই। মনে হল বিশাল এক সাম্রাজ্যের মালিকানা পেয়ে গিয়েছি। অঙ্কের মাস্টারমশাইরা মুখে কিছু না বললেও সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্ত বালকটিকে ক্লাসে যখন নাম ডেকে দাঁড় করালেন, তখন মনে হল রাজার অভিষেক হচ্ছে। এত উত্তেজনার মাঝে হঠাৎ আবিষ্কার করলাম, বুক কিপিংয়েও আমার নম্বর দুটি সেকশন মিলিয়ে সবচাইতে বেশি।
এরপর ক্লাস টেনে উঠলাম আমরা। বুক কিপিং আমার সঙ্গ ছাড়ল না। বোর্ডের পরীক্ষায় এই অতিরিক্ত বিষয়টা নিয়েই বসতে হবে, সেটা জানা থাকাতে আর অসুবিধা হল না। আপোস করেই যে জীবন চালাতে হয়, তার প্রথম পাঠ হল বুক কিপিংয়ের সঙ্গে সমঝোতা দিয়ে। অঙ্কে হাইয়েস্ট মার্কস পাওয়াতে ‘কমার্স নিয়ে পড়তে হবে’, এই কথাটা বাড়িতে আর কেউ উচ্চারণ করল না। মাস্টারমশাই আমাকে যেন আরও কাছে টেনে নিলেন। তাঁর মান বাঁচিয়েছি, সেটা তিনি ছাড়া আর বড়ো করে কেই-বা জানবে? অঙ্ক আর বুক কিপিং দুইয়ের সঙ্গেই হয়ে গেল সখ্যতা।
নতুন সিলেবাসে মাধ্যমিক পরীক্ষা হল পরের বছর। দুই বিপরীত বিষয়কে বগলদাবা করে পরীক্ষায় বসলাম। বোর্ডের চালু করা নতুন পরীক্ষা পদ্ধতিতে নম্বর বেশি উঠত না, ফার্স্ট ডিভিশন এল আরও কম। গোটা স্কুলে মাত্র তিনজন ফার্স্ট ডিভিশনে পাশ করল। তার মধ্যে আমিও একজন। রেজাল্ট হাতে নিয়ে স্কুলের স্টাফ রুমে মাস্টারমশাইদের আশীর্বাদ আর ভালোবাসা নিচু হয়ে কুড়াতে কুড়াতে ভাবলাম, দুই বন্ধুর মধ্যে এক বন্ধুর এবার বিদায়ের পালা। অঙ্ক সঙ্গে থাক, বুক কিপিং, তোমায় জানাই ‘বিদায় বন্ধু, বিদায়। তোমার হিসাবের গণ্ডীতে নিজের জীবন বাঁধতে পারব না ভাই।’
প্রাপ্তবয়স্ক হচ্ছিলাম একটু একটু করে। বেহিসেবি জীবনের ঝোঁক তখন সামলাই কী করে?


___

1 comment:

  1. আমার অতিরিক্ত বিষয় নেওয়া আমার ইচ্ছায় নয় মাস্টার মশাইয়ের ইচ্ছায়; ইচ্ছা ছিল নেব ফিজিক্স কিন্তু নিলাম লজিক কারণ কয়েক বছর আগে আমার অখ্যাত স্কুল থেকে তপনদা লজিক নিয়ে বোর্ডের পরীক্ষায় সেভেনথ হন।
    পরে অবশ্য তপনদার ইচ্ছায় কেমিস্ট্রির বদলে ইকনমিক্স পডা।
    আমি আপনার পরের বছর মানে মাধ্যমিকের
    তৃতীয় ব্যাচের।
    আপনার লেখা বেশ মেদহীন ঝরঝরে।এখন বুঝলাম কেন আপনি এরকম ঋজু এবং মেদহীন।

    ReplyDelete