গল্পঃ ভুতোর কীর্তিঃ কণিকা সরকার


ভুতোর কীর্তি


কণিকা সরকার 


দুপুরবেলা বাড়িতে থাকে না টুকলুদিদি, স্কুলে যায়। মা অফিসে আর পিপি কম্পিউটার ক্লাসে। তখন বাড়িটা ফাঁকা হয়ে যায়। বাসনাপিসি অবশ্য থাকে। কিন্তু নিজের কাজটুকু ছাড়া আর কিছু ভাবে না। কাজ না থাকলে ফোনে গল্প করে সময় কাটায়। ভুতোকে খাবার দেয় ঠিকই, কিন্তু তা ভুতো খায় কি ফেলে রাখে, সে বিষয়ে কোনও খোঁজ রাখে না। ভুতোকে নিয়ে ওর মাথাব্যথা নেই। রোজ রোজ এমন একা হয়ে যায় ভুতো, ভালো লাগে না! কারই বা ভালো লাগে একা থাকতে! তাই ভুতো ঠিক করল, ও একটু অন্যরকমে একটা দিন কাটাবে।
যেমন ভাবা তেমন কাজ! ভুতো আলমারির ওপর থেকে টুকলুদিদির বড়ো ভল্লুক-পুতুলটাকে পেড়ে ফেলল। সফট-টয়ের সেই পুতুলটা ছিঁড়ে তা থেকে যত তুলো সব বের করে দিল। তারপর সেগুলো ডাঁই করে আলমারির পেছনে নিয়ে রাখল যাতে কেউ পুতুল ছেঁড়ার কথা টের না পায়। তারপর নিজেই পরে নিল ভল্লুকের খোলসটা। আয়নায় একবার দেখে নিল নিজেকে। নাহ্, বেশ লাগছে তো ছদ্মবেশটা! চেনাই যাচ্ছে না একদম! ভল্লুকের ছানা বলে দিব্যি চালিয়ে নেওয়া যাবে। বাসনাপিসিকেও কাছাকাছি দেখা যাচ্ছে না। এই সুযোগ।
বন্ধ গেটের ফাঁক গলে দুপুরবেলার ফাঁকা রাস্তায় গিয়ে নামল ভুতো।
গলি পার হয়ে ভুতো উঠল বড়ো রাস্তায়। ফুটপাথে দাঁড়িয়ে লক্ষ করতে লাগল মানুষজন বা গাড়িঘোড়ার গতিবিধি। তারপর কী মনে করে ফুটপাত ধরেই হাঁটতে শুরু করল। কয়েক পা এগিয়েছে কি নয়, কানে ভেসে এল একটা আর্তধ্বনি। কার? কী হয়েছে?
ফুটপাতে দাঁড়িয়েই ভুতো বোঝার চেষ্টা করল আওয়াজটা কোত্থেকে আসছে। কান খাড়া করে ও সেদিকে এগিয়ে গেল। দেখল, একটা নোংরা, ধুলোমাখা কাপড়ের পোঁটলা। তার ভেতর একটা মানুষ। পা নেই, হাতে চটি। শুকনো, খরার দিন। জলপিপাসা পেয়েছে। মানুষটার গোঙানির ভিতর থেকে একটা শব্দই শুধু বোঝা যাচ্ছে, ‘জল’।
ভুতো দেখল, ফুটপাত থেকে পাড়ার দিকে নেমে একটা কল আছে। লোকটার কাছে একটা বাটিও আছে। ভুতো সেই বাটিটা নিয়ে ছুটল কলের দিকে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জল নিয়ে এল। কিন্তু লোকটা খাবে কী করে? ওর তো জ্ঞান নেই বলে মনে হচ্ছে! কী করবে? ভাবতে ভাবতে বাটির জলটা ভুতো লোকটার মুখের উপর ঢেলে দিল। আবার এক বাটি জল নিয়ে এল। লোকটার মুখের কাছে সরিয়ে রাখল বাটিটা। লোকটা চেষ্টা করেও জল খেতে পারছিল না। ভুতো তখন বাটিটা কাত করে লোকটার মুখের কাছে ধরল। লোকটা জল খেল। তারপর চোখ খোলার চেষ্টা করল। ভুতো বুঝল, আর কোনও আশঙ্কা নেই। আবার চলতে শুরু করল।
খানিকটা যাওয়ার পরে একটা বড়ো কুকুর ওর পিছু নিল। ভুতো হাঁটার গতি বাড়াল। কুকুরটা তবুও পিছু ছাড়ছে না তো! কী করা যায়?
কিছুটা যেতেই হঠাৎ রাস্তার উলটোদিকে চোখ পড়ল। ও দেখল, তিন-চারজন মিলে বাঁশের চোঁচ, কঞ্চি, বেত দিয়ে নানানরকম জিনিস বানাচ্ছে। এমন সময় কুকুরদের হল্লা শোনা গেল। কুকুরটা অন্যমনস্ক হয়ে পড়তেই ভুতো দৌড়ে রাস্তা পার হয়ে একটা ঝুড়ির আড়ালে গিয়ে বসে পড়ল। কুকুরটা টের পেল না।
শুঁকে শুঁকে নিরাপদ বুঝে একটা ঢাকনাওলা ঝুড়ির ভেতর বসে রইল। ভুতো ভেবেছিল, রোদটা একটু কমলে বেরিয়ে পড়বে। কিন্তু লোকগুলো কিছুক্ষণের মধ্যেই জিনিসপত্র গুটোতে শুরু করল। নিরুপায় ভুতো গুটিসুটি মেরে বসে রইল। ওর নড়াচড়ার আওয়াজে একজন ঝুড়ির ঢাকনাটা তুলে দেখল। ওর মুখটা দেখে কী যে মনে করল কে জানে, বাইরে এনে ওকে ভালো করে দেখে আবার ঢুকিয়ে রাখল। ভুতো ভাবল, সময় বুঝে বেরিয়ে পড়বে।
কিন্তু…
ওই মানুষগুলো বেত, কঞ্চি, চোঁচ দিয়ে বানানো জিনিসগুলোর সঙ্গে ভুতোকেও তুলল ভ্যানে। এখন তো ওর আর কিছু করার নেই। ভুতো বন্ধ ঝুড়ির ভিতর থেকেই ছটফট করতে শুরু করল। একসময় নানারকম আওয়াজ করে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করল। কিন্তু কা কস্য পরিবেদনা!
ভুতোকে নিয়েই ওরা এবার চাপল নৌকোয়। নদীর ওপারে ওদের আস্তানা। ওরা ওদের সঙ্গে ভুতোকে নিয়ে যেতে চায়। এমনটাই মনে হচ্ছে ওদের ভাবভঙ্গিতে। ভুতো ঝুড়ির কঞ্চির ফাঁক দিয়ে দেখল, ওদের সঙ্গে আরও একটা দল উঠেছে নৌকোয়। একটা বড়ো কুকুর আছে। আরও একটা কিছু আছে। ভুতো ঠিক বুঝতে পারল না। নিয়ে গেলে ভুতোর বিপদ তেমন নেই, কেননা কাল যখন আসবে, ও ঠিক বাড়ি পৌঁছে যাবে। কিন্তু টুকলুদিদি ওকে না দেখলে খুব কান্নাকাটি করবে, খুঁজে খুঁজে হয়রান হয়ে যাবে। তাই যেভাবেই হোক বাড়ি ফিরতেই হবে ভুতোকে।
নৌকোয় উঠে ওই লোকগুলো ঝুড়ির মুখ খুলে ভুতোকে বের করে আনল। অদ্ভুতদর্শন প্রাণীটাকে ওরা হাতে নিয়ে একে একে দেখতে লাগল। একসময় একজনের হাত থেকে আরেকজনের হাতে নিতে হাত ফসকাতেই ভুতো পড়ে গেল জলে। প্রথমটায় আচমকা পড়ে গিয়ে ভয় পেয়েছিল। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলে নিয়ে সাঁতরাতে শুরু করল ভুতো। কোনদিকে যাচ্ছে বুঝতে পারছে না। কিন্তু ভুতোর সেকথা ভাবলে চলবে না। যেদিকেই হোক না কেন, আপাতত বাঁচার চেষ্টা করতে হবে। পরে পাড়ে উঠে ব্যবস্থা নিলেই হবে।
ভুতো জলে পড়তেই ওরা অবশ্য ওকে বাঁচানোর জন্য চিৎকার চেঁচামেচি জুড়েছিল। তবে ধরার চেষ্টা করেনি। ও জলে পড়ার পর ডুবে গিয়েছিল। তাই বোধহয় ওরা আর ঝাঁপায়নি।


ভুতো যখন নদীর পাড় খুঁজে পেল, তখন সন্ধে হয় হয়। আবছা অন্ধকারে ভুতো যে কোথায় এসে পড়েছে বুঝতে পারল না। সামনে একটা বিশাল জঙ্গল। বড়ো বড়ো গাছ দাঁড়িয়ে আছে শাখাপ্রশাখা মেলে। আগাছাগুলো বেশ লম্বা লম্বা। কেমন একটা মিঠে অথচ ঝাঁঝালো গন্ধ বেরোচ্ছে। বুনো ফুলেরই হবে বোধহয়। রাতটা যে এখানেই কাটাতে হবে। মনটা খুব খারাপ করছে। টুকলুদিদি কী ভাবছে, ওর কথা ভেবে মনের ভিতর মোচড় দিয়ে উঠল। সন্ধে ঘন হয়ে আসতেই ভুতোর মনখারাপটা আরও বেড়ে গেল। কান্না পেল ভীষণ। নিজেকে সামলাতে না পেরে প্রথমে কাঁদল কুঁই কুঁই করে। পরে জোরে জোরে কাঁদতে শুরু করল।
কতক্ষণ কেটে গেছে ভুতো টের পায়নি। জলে ভিজে বেশ শীত করছিল ওর। হঠাৎ গরম অনুভব করতেই ভুতো বুঝতে পারল কেউ ওর কাছে এসে ওর গা ঘেঁষে বসে আছে। এতক্ষণে ও টের পেল পাশে যে বসে আছে সে ভুতোকে রীতিমতো আগলে রেখেছে। সান্ত্বনা দেবার চেষ্টা করছে। ভুতো গন্ধে বুঝতে পারল, পাশে এসে বসা প্রাণীটা একটা ভল্লুক।
ভুতো খুব ভয় পেয়ে গেল। ভল্লুক ওর অবস্থা বুঝতে পেরে ওকে আরও কাছে টেনে নিল। গালে গাল ঘষতে ঘষতে বলল, “ভয় নেই রে, আমি ভোলু। ভালুক হলেও তোর কষ্টটা বুঝতে পারছি। আমি তো মা। আমারও একটা ছানা ছিল রে তোরই মতো, ভারি মিষ্টি। কোথায় যে হারিয়ে গেছে! আজও তাকে খুঁজি রাতের অন্ধকারে। তুইও পথ হারিয়ে জঙ্গলে এসে পড়েছিস, তাই তো?”
অভয় পেয়ে ভুতো তখন ভালুকটাকে সারাদিনের সমস্ত ঘটনা বলল। এও বলল, ও যে নৌকো থেকে জলে পড়ে গিয়েছিল, সেই নৌকোয় একটা ভল্লুকের গন্ধ ও পেয়েছিল। ওর মনে হচ্ছিল, ওদের সঙ্গেই ও ছিল। নিজেকে বাঁচানোর তাগিদে অতটা খেয়াল করতে পারেনি।
ভল্লুক অবাক হয়ে ভুতোর কথা শুনছিল।
ভুতো বলল, “একবার তোমার ছানার কথা ওদের ওখানে জানার চেষ্টা করলে হয় না?”
“ওরা কোথায় থাকে, জানব কী করে!” ভোলু অবাক হয়ে জানতে চাইল।
ভুতো বলল, “ওদের বাসা না চিনলেও ওরা কোথায় কাজ করে সে তো আমি জানি। আমাকে বড়ো রাস্তায় নিয়ে গেলে তোমাকে ওই জায়গাটা চিনিয়ে দিতে পারব।”
ঠিক হল, ভুতো জায়গাটা চিনিয়ে দেবে, কিন্তু সেখানে থাকবে না। ওদের চিনিয়ে দিয়ে ও লুকিয়ে পড়বে। কেননা, যদি ওরা আবার ওকে ধরার চেষ্টা করে!


ভোরের আলো না ফুটতেই ভুতো আর ভোলু বড়ো রাস্তার ধারে এসে গাছের তলায় বসে থাকল। ওরা দেখল, আবছা অন্ধকারে একদল লোক ভ্যানে করে সেদিকেই আসছে। একটু এগিয়ে আসতেই ভুতো চিনতে পারল ওদের। সত্যিই তো, ওই দলটায় একটা কুকুর আর একটা ছোটো ভল্লুক আছে!
ভুতো ভোলুকে ওদের চিনিয়ে একটু দূরে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল। ভোলু কারও তোয়াক্কা না করে সোজা চলে গেল বেদিয়াদের দলটার দিকে। ভল্লুকটাকে শুঁকতে শুরু করল। শিকলে বাঁধা বাচ্চা ভল্লুকটাও ভোলুর ছোঁয়া পেয়ে আর্তস্বরে ডাকতে শুরু করল। শিকল ছিঁড়ে পালিয়ে আসতে চাইল। ঠিক! ওই ছোটো ভল্লুকটাই ভোলুর ছেলে!
ভুতো দূর থেকে সবটা দেখে প্রথমে কী করবে বুঝে উঠতে পারছিল না। ইতস্তত ছুটোছুটি করতে লাগল। পরে সোজা দিল দৌড়।
ভুতোর মনে পড়ল টুকলুদিদি বলেছিল, বন্যপ্রাণীকে আটক রাখা বা তাদের দিয়ে খেলা দেখিয়ে পয়সা রোজগার করা ভয়ংকর অপরাধ। ওই বেদিয়ারাও তাই খুব খারাপ লোক। একটা ভল্লুককে আটকে ওরা মজা করছে। ওদের অবশ্যই শাস্তি পাওয়া উচিত।
ভুতো তখন ট্রাফিক পোস্টে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের দিকে তাকিয়েই ডাকাডাকি শুরু করল। কেউ কেউ ভুতোর কাণ্ড দেখে মজা পেল, হাসাহাসি করতে শুরু করল। কিন্তু ওই পোস্টের সামনের এক বয়স্ক দোকানি কর্তব্যরত পুলিশকে ডেকে বললেন, “স্যার, ও আপনাকে কিছু বলতে চাইছে। আপনি একটু শুনুন।”
প্রথমটায় ভদ্রলোককে পাত্তা দিলেন না ওই পুলিশ। ভদ্রলোকও ছাড়বার লোক নন। আবার বললেন। এবারে অনিচ্ছাসত্ত্বেও পুলিশ ভুতোর কাছে গেলেন। ভুতো আনন্দে এগিয়ে যেতে থাকল ভোলুদের দিকে। পিছনে পুলিশ।
খানিক পরেই পুলিশ বুঝতে পারলেন ভুতো আসলে কী বলতে চাইছে। ততক্ষণে বেদিয়াদের সঙ্গে ভোলুর লড়াই লেগে গেছে। পুলিশ বেদিয়াদের হাত থেকে ভোলুর ছানাকে উদ্ধার করে নির্বিঘ্নে বনের পথে এগিয়ে দিলেন। ভুতোকে ভোলু আদর করল খুব। রোদের তেজ বেড়ে ওঠার আগেই ভোলু ফিরে গেল বনে।
এদিকে ট্রাফিক পুলিশের হাতে বেদিয়াদের সঙ্গে ধরা পড়ে গেল ভুতো। ওকে সম্বর্ধনা দেবার জন্য পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হল। সাতসকালেই বিশেষ খবরে সম্প্রচারিত হয়ে গেল এক অদ্ভুতদর্শন জীবের উদ্যোগে এক ভল্লুকের ছানা উদ্ধার এবং তাদের বনে ফিরে যাওয়ার কথা।


ওদিকে টুকলু স্কুল থেকে ফিরে ভুতোকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেছে অনেক। শেষে কাঁদতে শুরু করেছে। টুকলুর মা অফিস থেকে ফিরে সব শুনে তো থ। কী করে এমন হল! সঙ্গে সঙ্গে থানায় ভুতোর ছবি দেখিয়ে একটা ডায়েরি করে এসেছে। বাসনাপিসিকে মা খুব বকাবকি করেছে। কী করে সে সারাদিন? একরত্তি ভুতোকে আগলে রাখতে পারে না? মনের দুঃখে রাতে কেউ খাওয়াদাওয়াও করতে পারেনি। এমনকি ঘুমও হয়নি ওদের ভালোমতো।
পরদিন সকালে টিভিতে খবরটা শুনে তাই টুকলু যেন একটা আশার আলো দেখতে পেল। তড়িঘড়ি মাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় গেল। স্থানীয় থানার সকলেই খবরটা শুনেছিল। সেখানকার একজন পুলিশ টুকলু আর ওর মাকে নিয়ে সেই পুলিশ ফাঁড়িতে গেলেন।
ভুতো সে সময় পাউরুটি খাচ্ছিল। টুকলুকে দেখামাত্রই লাফ দিয়ে চলে এল। টুকলুর হাত-পা চাটতে শুরু করল। টুকলু তো খুব অবাক! এমন করছে কেন ও! তারপর ভুতোকে কোলে তুলে ভালো করে দেখে বলল, “হুম, এ তো ভুতোই! চোখ তো তেমন কথাই বলছে! কিন্তু লেজ কোথায় গেল? মা, গাটাই বা এমন লাগছে কেন? দেখো তো!”
টুকলুর মা ততক্ষণে ভুতোকে পরীক্ষা করতে শুরু করে দিয়েছেন। বলেই যাচ্ছেন, “হ্যাঁ রে, তুই সত্যিই আমার ভুতো? তোর এমন দশা কী করে হল? কোথায় গিয়েছিলি? কী করেছিস? কেমন করে গেলি?”
একসঙ্গে হাজার প্রশ্ন। দেখা গেল, টুকলুর টেডি বিয়ারের খোলস পরে রয়েছে ভুতো। টুকলুর মা কপালে হাত দিয়ে বললেন, “হায় ভগবান!”
পুলিশের তরফ থেকে ভুতোকে পুরস্কৃত করা হল অনেক অনেক খাবার আর খেলনা দিয়ে। টুকলুদিদিও ওকে একটা ফুটবল দিয়েছে। বলেছে, “এমনি করে ভালো কাজ করলে আবার নতুন একটা কিছু পাবি।”


___


অঙ্কনশিল্পীঃ রাখি পুরকায়স্থ

No comments:

Post a Comment