ছোটো গল্পঃ মিস্টার বার্গারের নাট ক্র্যাকার - সম্বিতা



মিস্টার বার্গারের নাট ক্র্যাকার


সম্বিতা



জার্মানির কোলন শহরে অফিসের কাজে এসেছেন মিস্টার এডউইন বার্গার। তার হোটেলের সামনেই বসেছে বিশাল ক্রিস্টমাস মার্কেট। তার একমাত্র ছেলের জন্য ক্রিস্টমাসের উপহার নিয়ে তিনি একটু ভাবনাতে আছেন। তার ছেলে ব্রামকে তিনি কথা দিয়েছেন, তিনি তার জন্য গিফট নিয়ে যাবেন। ক্রিস্টমাস মার্কেটের জন্য কোলন শহরের খুব নাম আছে। ক্রিস্টমাস মার্কেট হল ক্রিস্টমাসের আগে এই মার্কেট বসে। প্রচুর হাতের কাজের জিনিস নিয়ে বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোক আসে। চামড়ার ব্যাগ, কাঠের মূর্তি, পাজল, খেলনা, কাচের মোমবাতি স্ট্যান্ড, কাগজের কাজ... আরও অনেক রকমের জিনিস দিয়ে হাতের কাজ করে তারা এখানে এসে বিক্রি করে।

প্রত্যেক বছরেই তিনি ব্রামের জন্য কিছু না কিছু কেনেন। এবার ব্রাম তাঁর কাছে একটা নাট ক্র্যাকার চেয়েছে। তিনি আর সময় নষ্ট না করে মার্কেটের ভিতরে ঢুকে ঘুরতে লাগলেন। হঠাৎ করে একটা দোকানে তাঁর চোখে পড়ল নাট ক্র্যাকার। নাট ক্র্যাকার সম্পর্কে বলে রাখি, এটা একটা ক্রিস্টমাস খেলনা। দেখতে একটা মানুষের মতো, কোনোটা সৈনিক, কোনোটা সান্টাক্লস, কোনোটা একটা বুড়ো, কোনোটা সাধারণ মানুষ... ওর মুখটা কিন্তু খুব একটা সুন্দর নয়। ওর দাঁতগুলো খুব বড়ো, বড়ো। মুখের হাঁ, গালও বিশাল। মুখ হাঁ করলে দেখা যায় বিশাল বড়ো জিভ। তার মধ্যে নাট মানে শক্ত আখরোট জাতীয় বাদাম দিলে পেছন পিঠের দিকে জাতির মতো হ্যান্ডেল থাকে, সেটা দিয়ে চাপ দিলে সে অনায়াসেই আখরোট ভেঙে ফেলে। ওর মধ্যে থেকে আসল বাদাম বার করে ফেলে। জার্মানে, লন্ডনে, আমেরিকাতে এটি পাওয়া যায়। এর সঙ্গে একটা গল্পও জড়িত আছে। আমি আর সে গল্পে আজ গেলাম না।

এরপর মিস্টার বার্গার দেখলেন অনেক রকমের নাট ক্র্যাকার আছে ওই দোকানে। ছোটো, বড়ো, মাঝারি সবরকমের। অনেকগুলো নাট ক্র্যাকার পর একটা নীল রঙের নাট ক্র্যাকার তাঁর খুব পছন্দ হল। নাট ক্র্যাকারটার গায়ে সৈনিকের ড্রেস। কোমরে গোঁজা কালো তরবারি। চুলের রঙ হালকা ধূসর। চোখদুটো আলাদা করে লাগানো হয়েছে। কাঠের পুতুল হলে কী হবে, সুন্দরভাবে উজ্জ্বল রঙ করা হয়েছে। তবে এটাকে দেখে মনে হচ্ছে যে এটা খুব পুরনো নাট ক্র্যাকার, আর এর মুখের ভিতর নাট ক্র্যাক করে করে সামান্য একটা গর্তের সৃষ্টি করেছে।

“এটা খুব পুরনো খেলনা।” দোকানের মালিক খুব বয়স্ক, তিনি ধীরে ধীরে কথা বলেন। বললেন, “এটা ক্লাসিক, এটা নিতে পারেন। সিক্সটি ইউরো। এই নাট ক্র্যাকারটা আমি একটা মিউজিয়াম থেকে এনেছিলাম। মিউজিয়াম থেকে একে বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল। এটাকে আমি বাড়িতে নিয়ে আসি।”

মিস্টার বার্গার বললেন, “এটাই আমি নেব। প্যাক করে দিন।”

ভদ্রলোক বললেন, “রাইট চয়েস।”


ব্রাম তো উপহার পেয়ে বেজায় খুশি। ব্রামের বয়স এখন এগারো বছর। সে জানে সিন্টারক্লাস বা সান্টাক্লস আর কেউ নয়, তার বাবা। হল্যান্ডে সান্টাক্লসকে সিন্টারক্লাস বলে। তাই প্রত্যেক বছরেই তার কী খেলনা চাই সে তার বাবাকে বলে। প্যাকেট খুলে নাট ক্র্যাকার পেয়ে ‘থ্যাঙ্ক ইউ’ বলে বাবাকে জড়িয়ে ধরল। তারপর পুতুলটা নিয়ে নিজের ঘরের তাকে সাজিয়ে রাখল। সেই দিনটা বেশ ভালো কেটেছিল  ব্রামের। তার অনেকদিনের শখ ছিল নাট ক্রাকারের।

কিন্তু গণ্ডগোলটা শুরু হল তার পরেরদিন থেকে। সেদিন ছিল ক্রিস্টমাস। বাড়িতে মা, বাবা, দাদু, ঠাকুমা সবাই একসঙ্গে হয়েছে, খাওয়াদাওয়া চলছে। সকালে চার্চ থেকে ফেরার পরে বাবা আর মা দু’জনে মিলে গেস্টদের জন্য রান্না করেছে। তার ছোটোকাকু ও তার তিন বছরের ছেলে থমাসও আসবে। ডাইনিং টেবিল ভর্তি খাবারーচিকেন, মাটন, কেক, আপেল পাই, আরও অনেক কিছু। খেলাধুলো, গল্প, গান অনেক কিছু হল।

রাতে সবাই বাড়ি চলে যাওয়ার পর শোবার ঘরে চলে গেল ব্রাম। সারাদিনের আনন্দের কথা ভাবতে ভাবতে সে প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছিল। হঠাৎ টুক-টাক-খুট-খাট আওয়াজে তার ঘুম ভেঙে গেল। আসলে ব্রামের ঘরটা উপরে চিলেকোঠায়। বাইরে বৃষ্টি, বরফ যাই পড়ুক, ঘরের চালে পড়লে তা শোনা যায়। বরফ পড়া শুরু হল নাকি? জানলার পর্দা সরিয়ে সে দেখল তার ধারণা সঠিক। সে এবার বাথরুমে যাবে বলে বিছানা ছেড়ে নিচে নেমে তার নতুন খেলনা নাট ক্র্যাকারটার দিকে তাকাল। বলল, ‘আরে, নাট ক্র্যাকারটা গেল কোথায়?’ ঘরের লাইট জ্বালিয়ে সে খুঁজতে লাগল, আরে ওটা গেল কোথায়? এখানেই বইয়ের তাকে ছিল। আরে, বইয়ের তাকে সব এলোমেলো! কেউ যেন বইয়ের তাক ঘাঁটাঘাঁটি করেছে। এই ঘরে তাহলে কি কেউ ঢুকেছিল সে ঘুমিয়ে পড়ার পরে? কে জানে।

তাকটা আবার আগের মতো গুছিয়ে ফেলল ব্রাম। এবার পড়ার টেবিলের উপর সে পুতুলটা দাঁড় করিয়ে রাখল। তারপর আবার বিছানায় এসে শুয়ে পড়ল। পর্দার ফাঁক দিয়ে জালানার ওপাশে দেখা যাচ্ছে , বরফ এখনও পড়ছে। তার সঙ্গে হাওয়ার শব্দও কানে এল সোঁ সোঁ করে।

মাঝরাতে আবার ঘুম ভেঙে গেল টুকটাক শব্দে। কে যেন ছোটো ছোটো বুট পরে হেঁটে বেড়াচ্ছে টেবিলের উপর দিয়ে। বাড়িতে তো কোনও পোষা জন্তু নেই, ইঁদুর নয় তো? এত ঠাণ্ডাতে কোথা থেকে আসবে? ব্রাম বেশ ভয় পেল। বিছানার পাশের টেবিল লাইটটা জ্বালাল। তারপর কাউকে না দেখতে পেয়ে বলল, “কে, কে আছ এই ঘরে?”

ব্রামের গলার আওয়াজ পেয়ে মিস্টার এডউইন এলেন ঘরে। বললেন, “আরে! এত রাত হয়েছে, তুমি জেগে বসে আছ? কী ব্যাপার? আর কার সঙ্গে কথা বলছ? ভয় পাচ্ছ নাকি? এত বড়ো ছেলে।”

ব্রাম বলল, “বাবা, আমার ঘরে কেউ ঢুকেছে, কে যেন হেঁটে বেড়াচ্ছে। আওয়াজ পাচ্ছি বার বার।”

এডউইন ঘরের চারদিকে ভালো করে চোখ বুলিয়ে দেখলেন। তারপর হেসে বললেন, “এত বড়ো হয়েও গল্প বলছ বানিয়ে!”

ব্রাম উত্তেজিত হয়ে বলল, “না বাবা, সত্যি!”

এডউইন ব্রামের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, “তাহলে ও কিছু নয়, বেশি খাওয়ার জন্য পেট গরম হতে পারে। ঘরে যদি কেউ থাকত তাহলে আমি কি কিছু দেখতে পেতাম না? কই, কেউ তো নেই। এখন অনেক রাত হল, শুয়ে পড়ো। কাল দেখব। গুড নাইট।” তারপর টেবিলের আলোটা নিভিয়ে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

ব্রাম বুঝেছিল, এই ঘটনা বাবা বিশ্বাস করবে না। একমাত্র বন্ধু রন এটা বিশ্বাস করতে পারে। আজ রাতটা কোনোভাবে কাটাই, কাল সকালেই ওর সঙ্গে দেখা করে খুলে বলতে হবে। ব্রাম চুপ করে খাটের উপর জেগে বসে থাকল। সে এবার বুঝতে পেরেছে যে সে ঘুমোলেই সেই আওয়াজটা আবার শুরু হবে, ঘরের সব লণ্ডভণ্ড হয়ে যাবে। সারাদিনের ক্লান্তিতে তার খুব ঘুম পেল। কখন নিজের অজান্তেই তার চোখের পাতা বন্ধ হয়ে এল। খানিক পর আবার শুরু হল আওয়াজ। ব্রাম উঠে পড়ল, টেবিল লাইট জ্বালাল। কীসের একটা চিবানোর আওয়াজ আসছে নাট ক্র্যাকারটার কাছ থেকে। সে এগিয়ে গেল নাট ক্র্যাকারটার কাছে। দেখল, নাট ক্র্যাকারটা উলটো হয়ে পড়ে আছে টেবিলের উপর। হাতে তুলে নিয়ে দেখল, ওর মুখের ভিতর কিছু আছে। কী এটা? আরে, তার ছোটো রবারের টুকরো, পেন্সিল কাটার কোলের ভাঙা টুকরো। অবাক কাণ্ড! এটা নাট ক্র্যাকারটার মুখের ভিতর এল কী করে? এগুলো টুকরো করল কে? কিছুক্ষণ আগেও তো এসব... তার মানে নাট ক্র্যাকারটার মধ্যেই অলৌকিক কিছু আছে! ভেবেই হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে এল, হাত থেকে নাট ক্র্যাকারটা পড়ে গেল। সে দৌড়ে পালিয়ে খাটের উপর উঠে পড়ল। সারারাত তার ঘুম এল না, জেগে বসে থাকল খাটের উপর।

পরেরদিন সবকথা রনকে খুলে বলল সে। সবকিছু শুনে সে বলল, “ব্রাম, এটা কোনও সাধারণ নাট ক্র্যাকার নয়। ও আমাদের কিছু একটা বলতে চায়। আমরা কেউ সেটা বুঝতে পারছি না। এইজন্য ও এরকম করছে। আজ রাত এটা আমার কাছে থাকুক, দেখি আমি এই রহস্য উদ্ধার করতে পারি কি না।”

ব্রাম বলল, “আমিও তাই ভাবলাম। তোর তো গোয়েন্দাগিরি করার শখ, তাই ভাবলাম দেখি তোকে বলে। একমাত্র তুই আমাকে বিশ্বাস করবি। বাবাকে বললাম যেই, বিশ্বাসই করল না।”

রন বলল, “কেউই বিশ্বাস করবে না এটা। তুই ভালো করেছিস। দেখি আমি কোনও কারণ বার করতে পারি কি না।”

ব্রাম রনের হাতে নাট ক্র্যাকারটা দিয়ে দিল। তারপর বলল, “তাহলে আজ সারাদিন এটা তোর কাছে থাক।”

ব্রাম বাড়ির পথে হাঁটা লাগাল। কিন্তু ঠাণ্ডা বরফের বল বানিয়ে কে ছুড়ল পেছন থেকে? পেছনে ফিরে দেখে, রন বরফের বল বানিয়ে ওর দিকে ছুড়ে মারছে আর হাসছে। কাল সারারাত বরফ পড়ে ওদের পাড়াটা সাদা হয়ে গেছে। গাছে, রাস্তাতে, বাড়ির চাল, গাড়ি সবকিছুই বরফে ঢেকে গেছে। অনেক বাচ্চারা স্লেজ গাড়িতে চেপে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাদের মা-বাবারা স্লেজ গাড়ি টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ব্রামও ফুল গাছগুলোর মাথা থেকে বরফের কুচিগুলো নিয়ে শক্ত বল বানাল। তারপর রনের দিকে ছুড়ে মারল। সারাদিন এইভাবে বরফে খেলে কেটে গেল দু’জনের।


রাতের বেলা নিশ্চিন্তে ঘুম এল তার। কোনও আওয়াজ নেই, শান্ত পরিবেশ। হঠাৎ করে দেখল, তার বুকের উপরে নাট ক্র্যাকারটা তার বিচ্ছিরি দাঁত বার করে তাকে চিবিয়ে কামড়াতে আসছে। সে ভীষণ দৃশ্য দেখে তার চক্ষু ছানাবড়া। নাট ক্র্যাকারটার ক্যানাইন দাঁত দুটো এত বড়ো কী করে হল? আর তাতে লাল রক্ত লেগে। যেন ভ্যাম্পায়ার! সে বিকটভাবে হাসছে আর বলছে, “রনকে শেষ করেছি, এবার তোর পালা।”

আর তখনি তার ঘুম ভেঙে গেল। উফ্‌, এটা তাহলে স্বপ্ন ছিল! গলাটা শুকিয়ে গেছে, টেবিলে রাখা জলের বোতল থেকে ঢক ঢক করে সে জল খেল। তারপর চারদিকে তাকিয়ে দেখল সব নিশ্চুপ। কোনও শব্দ নেই, নাট ক্র্যাকার তো নেইই। সে আবার শুয়ে পড়ল। আবার ঘুম পেল তার। চোখ লেগে গেলো। এবার আর কোনও স্বপ্ন সে দেখল না।

পরদিন খুব ভোরে রনের ডাকে তার ঘুম ভাঙল। দেখল, রনের চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ, সারারাত ঘুমোতে পারেনি। রণ বলল, “ওঠ ব্রাম, সকাল হয়েছে। আর আমি নাট ক্র্যাকারের প্রবলেমটা সলভ করে ফেলেছি। তবে নাট ক্র্যাকারটা যা করে সব অন্ধকারেই করে। ওকে প্রতিরাতে একটা করে আখরোট দে, আর কোনও সমস্যা হবে না।”

“কীসব বলছিস তুই?” অবাক হয়ে বলল ব্রাম।

“হ্যাঁ, কোনও সাধারণ নাট ক্র্যাকার এটা নয়। তুই আগে বল, নাট ক্র্যাকারের কাজ কী।” বলল রন।

“নাট ক্র্যাক করা।”

“এ প্রতিদিন নাট খায়।” বলল রন।

“খুব অদ্ভুত তো! ধন্যবাদ রন।”

“তবে প্রতিদিন মনে করে ওকে নাট দিতে হবে, না হলে ও আবার ঝামেলা করবে।”

“তুই কী করে বুঝলি?”

“কাল তুই তো এটা আমাকে দিলি। তারপর আমি ওটাকে পড়ার টেবিলের উপর রাখলাম। আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। মাঝরাতে দেখি খুট খুট শব্দ। ঘুম ভেঙে গেল। টেবিল ল্যাম্প জ্বালালাম। দেখলাম টেবিলের উপরে পেন্সিল দিয়ে লেখা রয়েছে ‘আই অ্যাম হাংরি’। বুঝতে বাকি রইল না এটা নাট ক্র্যাকারটার কাজ। ওটা ওখানেই মুখ থুবড়ে পড়ে ছিল। ওর হাতের মধ্যে ধরা ছিল পেন্সিল। হঠাৎ মনে হল, নাট ক্র্যাকার তো নাট ক্র্যাক করে। এটা ওর কাজ। ও নাট খেতে চাইছে না তো? কিছু আখরোট টেবিলের উপর রাখলাম। তারপর ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। মাঝরাতে আবার আওয়াজ পেলাম। নাট ভাঙার শব্দ। বুঝতে আর বাকি রইল না কিছু। কিছু পর আর কোনও আওয়াজ পেলাম না। সকালে উঠে দেখলাম আখরোটগুলো নেই, শুধু টুকরো করা খোলা পড়ে আছে। তার মানে বুঝতে আর বাকি রইল না। ওগুলো ওই খেয়েছে।”

ব্রাম সেদিন রাতে নাট ক্র্যাকারটা ওর পড়ার টেবিলের উপর সাজিয়ে রাখল। তার সামনে কিছু আখরোট রাখল। তারপর বিছানাতে শুয়ে পড়ল সে। এক ঘুমে রাত কেটে গেল। সকালে উঠে দেখল, নাট ক্র্যাকারটার সামনে আখরোটের ভাঙা খোলা পড়ে আছে। তার বুঝতে বাকি রইল না যে, নাট ক্র্যাকারটা ওটা রাতে খেয়েছে। নাট ক্র্যাকারটার দিকে চোখ যেতে দেখল, তার চোখ আরও উজ্বল হয়েছে, মনে হল সে খুশিতে হাসছে। ব্রাম অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকল নাট ক্র্যাকারটার দিকে। আরে আরে, চোখের পাতা পড়ল মনে হচ্ছে!


___


অঙ্কনশিল্পীঃ সম্বিতা


No comments:

Post a Comment