ছোটো গল্পঃ লিড আস - অরিন্দম দেবনাথ


রাত দুটো।

শীতের রাতেও চণ্ডীচরণ হাঁসদা স্কুলের মাঠে ঠাঁই ধারণের জায়গা নেই। মাঠে টাঙানো বিশাল পর্দার দিকে তাকিয়ে আছে হাজার খানেক মানুষ। স্কুলের সব ছাত্র, তাদের বাবা-মা, গ্রামের মানুষ, কে নেই সেখানে? এমনকি ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট, বিডিও, স্কুল ইনস্পেক্টর সবাই হাজির রয়েছেন একসঙ্গে এক যুগান্তকারী ঘটনার সাক্ষী হতে।

পর্দায় ভেসে উঠেছে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মুখ। মাইকে গমগম করছে তাঁর বক্তৃতা।

“আজ আমাদের স্কুলের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র গৌতম হাঁসদা এই পুরস্কার না পেলে আমরা বুঝতেও পারতাম সে যে কাজ করছে তার গুরুত্ব এত সুবিশাল। হাতে পায়ে কাদা মাটি মেখে স্কুলে আসার ফলে বিগত কয়েক বছর ধরে সে বহুবার শিক্ষকদের কাছে শাস্তি পেয়েছে। কিন্তু একবারও জানতে দেয়নি কাদা মাটি মেখে আসার কারণ। কেন জানতে দেয়নি? এই পুরস্কার আনতে যাবার আগেও সেকথা আমাদের বলেনি।

“কিছুদিন আগে সিবিসি নিউজে যদি তার এই প্রচেষ্টার সফলতার কথা  প্রকাশ না পেত, তাহলে আমরা জানতেও পারতাম না আমরা আজ যে সবুজ প্রান্তরে দাঁড়িয়ে আছি, তা শুধু গৌতমের সৌজন্যে। অথচ আমরা জানতে চেষ্টা করিনি গাছ কেটে রুক্ষ করে ফেলা পথের দু’পাশ ও পাহাড়ের ন্যাড়া গায়ে আবার সবুজের ছোঁয়া ফিরে এল কী করে। শুধু তাই নয়, সবুজের সঙ্গে সঙ্গে পাখির কলতানও সে ফিরিয়ে এনেছে। এই অঞ্চলকে সবুজ করে তুলতে গৌতম তার দু’বন্ধুর নিঃশব্দ সাহায্য নিয়েছিল। সুদূর বিলিভিয়ার রাজধানী সুক্রার অলিম্পিকো পাত্রিয়া স্টেডিয়ামের পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার আজ আমরা এই বিশাল পর্দায় সকলে মিলে দেখে শপথ নেব, এ পৃথিবীকে গাছে ভরে দিয়ে আবার বাঁচিয়ে তোলার।

“সকলেই জানেন মানুষের লোভ আমাজনের বিশাল বর্ষণ বনের অনেকটাই পুড়িয়ে ধ্বংস করে ফেলেছে। পৃথিবীর ফুসফুস এখন অক্সিজেন চাইছে। সেই অক্সিজেন যোগানোর দায় আমাদের সকলকে নিতে হবে। পরিশেষে সিবিসি নিউজের সাংবাদিক অর্পণ সাহুকে আমাদের কৃতজ্ঞতা জানাই গৌতমের অবদান পৃথিবীর মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য। তিনি যদি এই কাজটি না করতেন, তবে গৌতম এই সম্মান থেকে বঞ্চিত হত। আমরা অর্পণবাবুকে অনুরোধ করেছিলাম আজকে আমাদের মধ্যে উপস্থিত থাকার জন্য। কিন্তু তিনি আজ এই মুহূর্তে বলিভিয়াতে আছেন আজকের অনুষ্ঠান কভার করার জন্য, সেই জন্যেই তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। পরিশেষে পরবর্তী বক্তা আমাদের প্রিয় ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট রণিতা-ম্যাডামের হাতে মাইক তুলে দেবার আগে বলতে চাই, সরকারের তরফে তিনি আজকের এই অনুষ্ঠানের সব ব্যবস্থা না করে দিলে সকলে মিলে একত্রে এই অনুষ্ঠান দেখা হত না। আরও একটি ঘোষণা। গৌতমের দুই সহযোগী তমাল ও রসিককে আজকের অনুষ্ঠান শেষে স্কুলের তরফ থেকে পুরস্কৃত করা হবে।”

প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য শেষ হতেই প্রবল হাততালির শব্দে আশেপাশের গাছ থেকে কাক-শালিকের দল চিৎকার করে উঠল।

সবাই অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে মূল অনুষ্ঠান একসঙ্গে দেখবে বলে। আজ যে তাদের বড়ো আনন্দের দিন। তাদেরই গ্রামের ছেলে পরিবেশ-রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নেতৃত্ব দান পুরস্কার পাচ্ছে।

মাত্র পাঁচ বছর আগে চালু হয়েছে এই পুরস্কার। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এক লক্ষ ডলার মূল্যের এই পুরস্কার এর আগে মাত্র একজনই পেয়েছেন। কানাডার এক বিজ্ঞানী। দ্বিতীয় জন যিনি এই পুরস্কার পাচ্ছেন, তিনি হলেন সতেরো বছর বয়সি গৌতম হাঁসদা। তবে পুরস্কারের অর্থ বিজেতা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারেন না। তাঁরই নির্দেশনায় সেই অর্থ ব্যবহৃত হয় পরিবেশ-রক্ষার কাজে। খানিক আগে বলিভিয়া থেকে সাংবাদিক অর্পণ সাহু ফোনে জানিয়েছেন, বলিভিয়ার একটি  বিশ্ববিদ্যালয় গৌতমকে সেখানে থেকে পড়াশুনা করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং ওর শিক্ষার সমস্ত আর্থিক দায়ভার ওরাই বহন করতে রাজি।

বিনামূল্যে শীতের রাতে সবাইকে গরম চা খাওয়াচ্ছে স্থানীয় দুটি ক্লাবের সদস্যরা। আজকে আনন্দের শেষ নেই। ভারতের এক পাহাড়ি মফস্বলের কথা পৃথিবীর কাছে তুলে ধরেছে তাদেরই ছেলে। এতদিন গৌতমকে কেউ চিনতই না। যারা চিনত, তারা ওকে জানত মুখচোরা খ্যাপাটে বলে। সবসময় সাইকেলের হ্যান্ডেলের ঝোলায় একটা খুরপি নিয়ে স্কুলের পোশাক পরে ঘুরে বেড়ায়। সাতে পাঁচে থাকে না। কোনোদিন ফুটবলে পা ছোঁয়ায়নি। স্কুলে আসাযাওয়ার সময় বিশেষ করে গরমকালে এ-পাড়ায় ও-পাড়ায় ঘুরে খালি আম-জাম-কাঁঠালের ফেলে দেওয়া বিচি কুড়িয়ে ঝোলায় পুরত। খেজুরগাছের তলা থেকে আধভাঙা হাঁড়ি কুড়িয়ে নিয়ে আসত। লোকের কাছে কম কথা শুনত না এই জন্য। ওর বাবা একজন সম্পন্ন চাষি। ছেলে পড়াশুনায় ভালো ফল করে জেনেই তিনি খুশি ছিলেন। যদিও সিবিসি নিউজের লেখা বলছে, গৌতমের বাবা ভালোই জানতেন ছেলের কাজকর্মের কথা।

কিন্তু অঞ্চলের মানুষ টেরও পায়নি গৌতমের একাকী এই উদ্যোগের  কথা। শুধু দেখেছে তাদের আধা পাহাড়ি শহরের বুক চিরে যাওয়া বৃক্ষহীন হাইওয়ের দু’পাশ গত কয়েক বছরে কী করে যেন গাছে গাছে ছেয়ে গেছে। একটু দূরের পাহাড়ের ঢাল সবুজ হয়ে উঠেছে।

হাইওয়ে ধরে গাড়িতে যেতে যেতে আশেপাশের অঞ্চলের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যটা নজরে এসেছিল অভিজ্ঞ সাংবাদিক অর্পণ সাহুর। গাড়ি থেকে নেমে খোঁজ নিতে শুরু করেছিলেন। প্রথমে জবাব পেয়েছিলেন, ‘ওই গাছগুলো এমনি এমনি হয়েছে।’ একটু ভালো করে নজর করতেই চোখে পড়েছিল খানিক পরপর গাছের ডালে বাঁধা ভাঙা হাঁড়ির কৃত্রিম বাসা আর তাতে পাখির উপস্থিতি। তারপরেই লোকের মুখে শুনলেন, গৌতম বলে এক খ্যাপাটে  ছেলের কথা। সেই গাছের ডালে ডালে ভাঙা হাঁড়ির টুকরো ঝুলিয়েছে। গল্পের গন্ধ পেতে আর দেরি করেননি অর্পণ। খুঁজে বের করেছিলেন গৌতমকে।

“সত্যি কথা বলতে কী, আমরাও কেউ কয়েক বছরে এখানে কেন এত গাছ জন্মাল আর বেড়ে উঠল এটা ভেবে দেখিনি।” মাইকে গমগম করে উঠল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট রণিতা চ্যাটার্জীর গলা। “কী করে শুধুমাত্র একটি ছোট্ট ছেলের একক প্রচেষ্টায় এই বিশাল বনাঞ্চল প্রাণ ফিরে পেল তা এখনই দেখব পর্দায়। ‘লিড আস’ পুরস্কার কমিটি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শুরু হতে এখনও খানিক দেরি আছে। ততক্ষণ গৌতমকে নিয়ে যে অর্পণ সাহু যে তথ্যচিত্রটি তৈরি করেছেন, সেটি আমরা এখন দেখব। তথ্যচিত্রটি আমি আগে দেখেছি। তবে বলতে দ্বিধা নেই, এরকম নির্বাক অনুপ্রেরণা যোগানো ছবি আগে দেখিনি। আসুন সবাই মিলে ছবিটা দেখি।”

রাস্তার ধারে কাজের খতিয়ান লেখা একটি বোর্ড মাটিতে পড়ে।

ক্লোজ আপে দেখা যাচ্ছে, রাস্তার ধারে কী কী গাছ লাগানো হয়েছে তার খতিয়ান। আম, মেহগনি, শিরিষ, কদম...

স্কুলের পোশাক পরা একটি ছোটো ছেলে ভাঙা বোর্ডটি পড়তে পড়তে সামনে তাকিয়ে দেখে কয়েকটি সুপুরিগাছ রাস্তার দু’পাশে লাগানো।

রাত।

মাদুরের ওপর একটি হ্যারিকেন জ্বলছে। একটি বড়ো পেতলের বাটিতে মুড়ি আর বাতাসা। পাশে গোটা কয়েক বই। একটি শিশুর মুখের ক্লোজ আপ। তারপর পুরো ঘর। একজন বৃদ্ধ লোক এসে মাদুরে বসে বাটি থেকে এক মুঠো মুড়ি তুলে নিয়ে মুখে দিয়ে ছেলেটির মুখে একটি বাতাসা গুঁজে দিলেন। মাথার চুলে হাত বুলিয়ে দিলেন। হেসে উঠলেন দু’জন একসঙ্গে।

ফ্ল্যাশ ব্যাক।

ভাঙা বোর্ডে লেখা গাছের বিবরণ।

ফ্ল্যাশ ব্যাকে সুপুরিগাছ।

বৃদ্ধ লোকটি চাষের ক্ষেতের পাশে বসে।

দূর থেকে শিশুটি একটি আম খেতে খেতে এসে কিছু একটা ছুড়ে ফেলে দিতে গিয়ে খানিক থমকে দাঁড়াল।

ক্লোজ আপে একটা আমের আঁটি।

শিশুটি বৃদ্ধকে আঁটিটি দেখিয়ে কিছু বলল। দু’জনের ঠোঁট নড়ে চলেছে।

একটা দাঁ দিয়ে মাটি খোঁড়ার দৃশ্য। ছোটো দুটো হাত গর্তে আমের আঁটিটি ফেলে মাটি চাপা দিয়ে দিল।

ক্লোজ আপে মাটি ফুঁড়ে বেরনো একটি ছোটো আমের চারা।

একটি স্কুলের পোশাক পরা পিঠে ব্যাগ নেওয়া শিশু একটা গাছের শুকনো ডাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে গাছটা মাটিসুদ্ধু তুলে এগিয়ে চলেছে মেঠো পথ ধরে।

একটা পিচ ঢালা রাস্তা। রাস্তার দু’পাশে পতিত জমি। কোনও গাছপালার চিহ্ন নেই। কয়েকটা বাঁশের গাছ বেড় দেওয়ার খালি খাঁচা পথের পাশে। কাছে একটা টিনের ভাঙা রংচটা বোর্ড পড়ে।

একটা বাঁশের খাঁচার কাছে একটা স্কুলের ব্যাগ মাটিতে রাখা। ছোটো দুটো হাত একটা বাঁশের খাঁচা বেড় দিয়ে ধরে তুলছে।

একটা শুকনো ডাল দিয়ে মাটি খোঁড়ার দৃশ্য। একটা আমগাছের চারা ওই গর্তে পুঁতছে কচি দুটো হাত। স্কুলের ব্যাগ থেকে বেরোল একটি জলের বোতল। সদ্য পোঁতা গাছের গোড়ায় হাত ধুচ্ছে ছোট্ট একটা ছেলে। স্কুলের পোশাক থেকে কাদা ঝাড়ার বিফল চেষ্টা। কাঁদো কাঁদো মুখ।

সদ্য পোঁতা গাছের ওপর নেমে এল বাঁশের খাঁচা।

বর্ষাকাল।

ছেলেটি একটু বড়ো হয়েছে। বাঁশের খাঁচার ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আসা গাছের কচি পাতায় হাত বোলাচ্ছে ছেলেটি। খানিক দূরে মাটিতে উলটে পড়ে একটি কালো ছাতা। বৃষ্টির জলে ধুয়ে যাচ্ছে দু’জনে।

একটা চটের ব্যাগ।

বাড়ির ময়লা ফেলার জায়গা। তার থেকে ফেলে দেওয়া আমের আঁটি কুড়োচ্ছে একটি হাফ প্যান্ট পরা আদুল গায়ের ছেলে। তারপর ভরে রাখছে ওই চটের ব্যাগে।

পিচ রাস্তার পাশে আমগাছটার গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড় করানো একটি সাইকেল। গাছটা এখন অনেক বড়ো হয়েছে। ওকে ঘিরে থাকা খাঁচাটা আর নেই। মুকুলে ছেয়ে আছে গাছটিতে।

ছেলেটি এখন অনেক লম্বা হয়েছে। স্কুলের পোশাক পরে গাছে ঠেস দেওয়া সাইকেলের ওপর দাঁড়িয়ে গাছের ডালে একটা নিচের দিকে ফুটো করা মাটির হাঁড়ি বাঁধছে।

লাফ দিয়ে সাইকেলের চাকার সামনে নেমে এল একজোড়া পা।

তিনটি সমবয়সী ছেলে স্কুলের পোশাকে মেঠো পথ দিয়ে সাইকেলে চেপে চলেছে। সাইকেলের হাতল থেকে ঝুলছে বাজারের ব্যাগ। দূরে পাহাড়ের ঢল। দু’পাশে ফাঁকা জমি।

তিনটে ছেলে সাইকেল পথের ধারে রেখে ব্যাগ হাতে এগিয়ে চলেছে মাঠের মধ্যে দিয়ে।

ছেলেগুলো ছোটো খুরপি দিয়ে শক্ত মাটি খুঁড়ে চলেছে।

ক্লোজ আপ। কপাল থেকে দরদর করে ঘাম ঝরছে।

বাজারের ব্যাগ থেকে বেরোচ্ছে গাছের চারা আর জলের বোতল।

গর্তে বসছে গাছের চারা আর বোতল থেকে পড়ছে জল।

ছেলেগুলো তাকাচ্ছে আকাশের দিকে। কালো মেঘ ছেয়ে আছে সেখানে।

ব্যাগ থেকে বের করে কিছু ছুড়ে দিচ্ছে ছেলেগুলো।

ক্লোজ আপ। মাটিতে পড়ে আমের আঁটি, কাঁঠাল-জামের বিচি। ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি শুকনো মাটিকে ভিজিয়ে দিচ্ছে।

পর্দায় ভেসে উঠেছে একটা পিচ রাস্তার ছবি। পথের দু’পাশে গাছের সারি। রাস্তার দু’পাশ ছাড়িয়ে গাছ দুলছে যেদিকে চোখ যায়। ঠিক যেন ঘন জঙ্গলের মাঝের রাস্তা।

গাছে বাঁধা কতকগুলো ওলটানো হাঁড়ি। তাদের গায়ে বড়ো মাপের ফুটো। একটা পাখি বেরিয়ে এল ফুটোর মধ্যে থেকে।

একটা ছোটো গাছে এক থোকা জামের ওপর বুলবুল পাখি বসে। বুলবুলটা পাহাড়ের দিকে উড়ে যাচ্ছে। মুখে ধরা একটা জাম।

ছোটো পাহাড়ের সবুজ গাছের জঙ্গলের মাঝে পায়ে চলা পথের ঢাল বেয়ে লাফাতে লাফাতে নেমে আসছে তিনটি সমবয়সী কিশোর। পরনে স্কুলের পোশাক। হাতে এক থোকা জাম।

একটা টাইপ রাইটার কাগজের ওপর লিখে চলছে, ‘ইট ওয়াস আ স্টোরি অ্যাবাউট আ বয় হু সোড আস হাউ আ ড্রিম কামস ট্রু। হি স্টার্টেড হিজ জার্নি নাইন ইয়ার্স বিফোর, হোয়েন হি ওয়াজ ইন ক্লাস টু। হি গিফটেড আস আ গ্রিন আর্থ বাই হিজ ওন ভিশন অ্যান্ড অবসার্ভেশন উইথ দ্য হেল্প অফ হিজ টু ক্লাসমেটস। হোপ দিস ইয়ং ম্যান উইল লিড আস টু মেক আ নিউ ওয়ার্ল্ড।’

পর্দায় ভেসে ওঠে গৌতমের হাতে ধরা একটা সোনার খুরপির ছবি। ‘লিড আস’ পুরষ্কার।

___

অঙ্কনশিল্পীঃ উপাসনা কর্মকার


No comments:

Post a Comment